
এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণমন্ত্রী শশী পাঁজা। শ্যামপুকুর বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ককে দুপুর ২টোর সময় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে কেশব অ্যাকাডেমিতে।
মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেছেন তাঁর ২০০২-র তালিকায় নাম রয়েছে। কিন্তু নোটিসে বলা হয়েছে তিনি তাঁর ও আত্মীয়দের সম্পর্কে কিছু তথ্য দেয়নি। শশী পাঁজা আরও বলেছেন তাঁর ঠিকানা পরিবর্তন হয়নি। তাঁর ২ সন্তান। তাঁরা সম্পর্কের জায়গায় তাদের বাবার কথাই লিখেছে। তিনি বিয়ে করে আসার পর ভোটও দিয়েছেন। সাধারণ মানুষ যেমন হিয়ারিংয়ের লাইনে দাঁড়িয়ে কাগজ জমা দিয়েছেন, তিনিও দেবেন। তাঁর কোনও বিশেষ সুবিধের প্রয়োজন নেই। কিন্তু হিয়ারিং সেন্টার বেশি দূরে নয়, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের এই ভুলের জন্য সাধারণ মানুষকে হেনস্থা হতে হচ্ছে। কারণ নির্বাচন কমিশনের অ্যাপটাই সঠিকভাবে কাজ করছে না। অনেক মানুষ ২০-৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাচ্ছেন এমন একটা কাজের জন্য। যার দায় নির্বাচন কমিশনের।
শুনানির নোটিস পেয়েছেন তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য। তাঁর পরিবারের ৪ জনকে নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দেবাংশু।









