
মহালয়ার সকালে বাঁশদ্রোণীতে পে-লোডারের ধাক্কায় স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুর পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বাসিন্দারা। প্রায় ৭ ঘন্টা পাটুলি থানার ওসিকে কাদায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়।
তাকে উদ্ধার করতে প্রথমে স্থানীয় দুটি থানার পুলিশ গেলে অবস্থা আরও ঘোরালো হয়ে ওঠে। তাদেরকেও কার্যত ঘিরে ফেলে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা।এরপরেই পুলিশ পরিচয়ে কিছু যুবক এলাকায় কার্যত তান্ডব চালাতে গেলে পাল্টা ধাওয়ার মুখোমুখি হয়।এমনকী, তাদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই যুবকরা স্থানীয় কাউন্সিলরের গুন্ডা বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয় জনতা।ধাওয়ার মুখে যারা প্রথমে নিজেদের পুলিশ ,তারপর স্থানীয় মানুষ ,শেষে বি জে পি কর্মী বলে পরিচয় দিতে দিতে পালাতে দেখা গেছে।এর মধ্যেই,ভাঙচুর করা হয়েছে রাস্তা সারাইয়ের জন্য রাখা পে-লোডার-সহ একাধিক যন্ত্রপাতি। স্থানীয়দের দাবি ছিল, তৃণমূল কাউন্সিলর অনিতা কর মজুমদারকে আসতে হবে। তবেই বিক্ষোভ উঠবে। সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় কলকাতা পুলিশের এসিপি প্রদীপ ঘোষাল গেলেও তাঁকে ঘিরে চলে বিক্ষোভ। এর পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন এসএসডি (ডিসি) বিদিশা কলিতা। তাঁকেও ঘিরে বিক্ষোভ চলে। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। এরপরেই শুরু হয় ধরপাকড়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ছাত্রমৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাঁরা যখন বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, সেই সময় একদল মানুষ তাঁদের উপর হামলা চালান। মহিলাদের উপরও হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয়েরা দাবি করছেন, মহিলাদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে। এক বিক্ষোভকারী মহিলাকে রাস্তায় পড়ে থাকতেও দেখা যায়। এর পরেই এসিপিকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়।









