
বাঁশদ্রোণীতে মহালয়ার সকালে এক ছাত্রের মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনার জেরে স্থানীয় মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়েছে পুলিশ এবং পুর প্রশাসন। কলকাতা পুরসভার ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডের দীনেশ নগর এলাকার রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলছিল। অভিযোগ, কোচিং সেন্টারে যাওয়ার সময় ছাত্রকে ধাক্কা মারে একটি জেসিবি।
গাছের সঙ্গে তাকে পিষে দেয়। মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে ছাত্রকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি। ছাত্রের মৃত্যুর পরেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বাঁশদ্রোণী। রাস্তায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তা বেহাল। মেরামত করা হয়নি। তাঁদের অভিযোগ,প্রথমে ওই জে সি বি রাস্তা সারাইয়ে কাজে লাগানো হচ্ছিল বলে দাবি করা হলেও পরে জানা যায় টেস্ট ড্রাইভ চলছিল। জানা গেছে নবম শ্রেণির ওই ছাত্র সাইকেল নিয়ে পড়তে যাচ্ছিল ওই পড়ুয়া।পিছন থেকে আসা একটি জেসিবিকে যাওয়ার জন্য রাস্তা ছেড়ে পাশে দাঁড়ায়। দীনেশ নগর অটো স্ট্যান্ডের সামনে একটি গাছের গোড়ায় সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়েছিল সে।পে লোডার বা জেসিবিটি যাওয়ার সময় পড়ুয়াকে ধাক্কা মারে। গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তাতেই লুটিয়ে পড়ে সে। তড়িঘড়ি উদ্ধার করে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে নবম শ্রেণির পড়ুয়াকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বাঁশদ্রোণী। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ১৫ বছর ধরে বেহাল দশা রাস্তার। কখনও অর্ধেক কাজ হয়।কিন্তু সব টাকা নিয়ে চম্পট দেয় ঠিকাদাররা।তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর অনিতা কর মজুমদারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার দীর্ঘসময় পর পুলিশ আসায় ক্ষোভ আরও চরমে ওঠে। ভাঙচুর হয় গাড়িতে। পুলিশকে আটকে রেখে চলে বিক্ষোভ। তাড়া করা হয় পুলিশ কর্মীদের।









