
পারিবারিক অশান্তির জেরে যমজ বোনকে নৃশংসভাবে খুন করার পর মাকেও ছুরি নিয়ে আক্রমণ করেছে এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদে। অভিযুক্ত যুবকের নাম হার্দিক। নিহত তাঁর যমজ বোন হিমাশিখা। গুরুতর জখম হয়েছেন মা নীলিমা। জানা গেছে,হার্দিক ও হিমাশিখা,দু’জনেই ২৫ বছর বয়সি এবং পেশায় ইঞ্জিনিয়ার।
গত কয়েক বছর ধরে তাঁরা হরিয়ানার গুরুগ্রামে থাকতেন কর্মসূত্রে। হিমাশিখা এমবিএ পড়ছিলেন কাজের বাইরে। অন্যদিকে, হার্দিক প্রায় দেড় বছর আগে একটি সংস্থার চাকরি ছেড়ে দেন। তারপর থেকেই তাঁর আচরণে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। যা লক্ষ্য করে পরিবারের সকলেও। অধিকাংশ সময়ই তিনি মোবাইল ফোন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যস্ত থাকতেন এবং গভীর রাত পর্যন্ত অনলাইনে চ্যাট করতেন।তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই পুণের এক মুসলিম তরুণীর সঙ্গে হার্দিকের পরিচয় হয়েছিল। তাঁকে বিয়ে করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি, এই বিষয়টি নিয়ে প্রায়ই ছেলেকে সতর্ক করতেন মা নীলিমা এবং বোন হিমাশিখা। তাঁরা চাইতেন হার্দিক যেন নিজের কেরিয়ারের দিকে মন দেন। সেই নিয়েই ৬ মার্চ সন্ধ্যায় আবারও কথা কাটাকাটি শুরু হয় দুই ভাইবোনের মধ্যে।
মুহূর্তেই তর্ক চরম উত্তেজনায় পৌঁছে যায়।পুলিশ জানিয়েছে, রাগের মাথায় রান্নাঘর থেকে একটি সবজি কাটার ছুরি তুলে নেয় হার্দিক। তারপর বোনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে একের পর এক কোপ মারতে শুরু করে। মৃত্যু হয় হিমশিখার। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গিয়েছে, তাঁর শরীরে মোট ৮৪টি ছুরির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।








