আর জি করের অভয়ার মতই তাঁদের না জানিয়ে মেয়ের পোস্ট মর্টেম করা হয়েছে কেন, প্রশ্ন তুলেছেন কাঁথির মৃত চিকিত্সক শালিনী দাসের বাবা নারায়ণ দাস। মেয়ের মৃত্যু নিয়ে যখন রহস্য বাড়ছে সেক্ষেত্রে অন্য কোথাও পোস্ট মর্টেমের সুযোগই পেলেন না তিনি। দমদমের বাসিন্দা শালিনী দাস পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ৩ মাস ধরে কর্মরত ছিলেন। তার আগে তিনি তমলুক হাসপাতালে ছিলেন ২ বছর। অ্যানাস্থেসিয়া বিভাগের চিকিত্সক শালিনী বিভিন্ন নার্সিংহোমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
গ্রাম থেকে শহর
News & Much More






