
সন্দীপ ঘোষদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের ১৫টি অভিযোগ জমা পড়েছে সিবিআইয়ের কাছে। মূল অভিযুক্ত হিসাবে সন্দীপ ঘোষ ছাড়াও নাম রয়েছে ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগের কর্তা দেবাশিস সোম এবং সুপার সঞ্জয় বশিষ্ঠের।
আরজি করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশ্যে এনেছিলেন হাসপাতালের প্রাক্তন অতিরিক্ত সুপার আখতার আলি। তাঁর করা ১৫ অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, হাসপাতালের জৈব বর্জ্য বেআইনি ভাবে বাইরে বিক্রি করা হয়। সরকারের টাকার অনিয়মের পাশাপাশি সরকারের সম্পত্তি স্বাস্থ্য ভবন এবং কলেজ কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন ব্যক্তি বা সংগঠনকে দেওয়া। ফুড স্টল, ক্যাফে, ক্যান্টিনের মতো জায়গা টেন্ডার না ডেকেই বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরবরাহকারীদের কাজের বরাত দেওয়ার বিষয়ে স্বজনপোষণের অভিযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিপ্লব সিং ছাড়াও নাম করা হয়েছে সুমন হাজরা এবং আফসর খানের। কোটি কোটি টাকার কাজের বরাত গুটিকয়েক নির্দিষ্ট ব্যক্তিকেই দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের বরাত পাওয়ার যোগ্যতা নেই বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি অভিযোগ উঠেছে, আর্থিক ব্যবস্থার নিয়মকানুন ইচ্ছাকৃত ভাবে অমান্য করা হয়েছে আরজি কর হাসপাতালে। অ্যাকাউন্ট আধিকারিকদের কথায় গুরুত্ব না দেওয়া এবং বিভিন্ন সময়ে পছন্দের ব্যক্তিদের জন্য নানা সুযোগসবিধা চেয়ে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের পরিকাঠামো এবং বৈদ্যুতিক বিভিন্ন কাজ রাজ্য সরকারের পূর্ত দফতরকে না দিয়ে বাইরের সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে।









