
এরাজ্যে বিএলও-রা নির্ভয়ে কাজ করতে পারবেন কিনা সন্দেহ রয়েছে। তিনি বলেছেন এরাজ্যে বিস্তীর্ণ এলাকায় সন্ত্রাস রয়েছে। রাজনৈতিক, ধর্মীয় সন্ত্রাস চলে।
জেপি নাড্ডা থেকে খগেন মুর্মুরাও সন্ত্রাসের হাত থেকে রেহাই পান না। স্বাভাবিকভাবে বিএলওরা প্রাণ বাঁচিয়ে বিহারের মত এসআইআর করতে পারবেন কিনা তা নিয়েও সন্দেহপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি আরও বলেছেন বিহার সরকার সহযোগিতা করেছে, এখানে বিএলওরা আক্রান্ত হলে কমিশনকেই দায়িত্ব নিতে হবে। সারা ভারতে জন্মহার অনুযায়ী ভোটার তালিকা বৃদ্ধি হয়েছে। আর পশ্চিমবঙ্গে একজন জন্মালে আড়াই জন ভোটার হয়েছেন। এমনই দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আরও দাবি এখানে জন্মাননি এমন কয়েক লাখ মানুষ ভোটার হয়েছেন। তাঁরা বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ করেছেন। এসআইআর হলে বাংলাদেশি মুসলমান, রোহিঙ্গারা ভোটার লিস্টে থাকবে না। যাঁরা শরণার্থী সিএএ-তে আবেদন করলে খসড়া ভোটার তালিকায় নাম থাকবে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন ২০০২-এ ২৬ লাখ ভোটারের নাম মোছা হয়েছিল। এবার লোকসভা নির্বাচনের পর ১৩ লাখ মানুষের আধার নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে তাঁদের মৃত্যুতে। আরও ১৬ লাখ, ২৯ লাখ নাম চোখের সামনে রয়েছে।
অন্যদিকে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক বলেছেন এসআইআর হলে তৃণমূল নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।







