এসআইআর : এসএসকেএমে মৃত বধূ, তাহেরপুরে বৃদ্ধ    

0
218
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব
এনুমারেশন ফর্ম না-পেয়ে দুশ্চিন্তায় ছ’বছরের মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন মা। সোমবার অবশেষে মৃত্যু হয়েছে হুগলির সেই বধূর।
তবে তাঁর সন্তানের অবস্থা স্থিতিশীল বলেই খবর পরিবার সূত্রে। মৃতা আশা সোরেন। তিনি ধনেখালি থানার অন্তর্গত সোমসপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কানানদীর বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে খবর, বছর দশেক আগে হরিপালে বিয়ে হয়েছিল আশার। সেখানে পারিবারিক অশান্তির কারণে তিনি ধনেখালিতে বাপের বাড়িতে ফিরে যান। মেয়েকে নিয়ে গত চার বছর সেখানেই থাকছিলেন। বাপের বাড়ির লোকেরা সকলে এনুমারেশন ফর্ম পেলেও, পাননি শুধু আশা। অন্যদিকে, শ্বশুরবাড়ির সঙ্গেও যোগাযোগ নেই। ফলে সেখানে এনুমারেশন ফর্ম দেওয়া হয়েছে কি না, তা জানারও উপায় নেই। পরিবারের দাবি, এ সব নিয়ে চিন্তা করতে করতেই মানসিক অবসাদে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বধূ। শনিবার সকালে প্রথমে ধনিয়াখালি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল আশা এবং তাঁর মেয়েকে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সোমবার সেখানেই মৃত্যু হয় আশার। এদিকে, ফের এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ। এবার নদিয়ার তাহেরপুর থানা অন্তর্গত এলাকায় শ্যামল সাহা নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, বাংলায় এসআইআর হওয়ার ঘোষণার পর থেকেই মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। বিভিন্ন সময়ে আত্মহত্যা করার কথা বলতেন ওই বৃদ্ধ।
যদিও তিনি ভুগছিলেন শ্বাসকষ্টজনিত রোগে। এসআইআর – এর জেরে মানসিক অবসাদে মৃত্যু হয়েছে শ্যামল সাহার, দাবি মৃতের পরিবারের।