
দিল্লির রাজনীতির জোর চর্চা বিজেপি এবার কোনও মহিলাকে সর্বভারতীয় সভাপতি করার কথা ভাবছে। তাতে সায় রয়েছে আরএসএসেরও।তবে মহিলা হওয়ার পাশাপাশি আরও দুই শর্ত পূরণ করতে হবে গেরুয়া শিবিরের হবু সর্বভারতীয় সভাপতিকে। এক, দক্ষিণ ভারতের হতে হবে। কারণ উত্তর ভারত জয়ের পর এবার গেরুয়া শিবিরের লক্ষ্য দাক্ষিণাত্য দখল।
দুই, দক্ষিণের হলেও হিন্দি ভাষায় দখল থাকতে হবে। কারণ, উত্তরের রাজনীতিতে হিন্দিটা গুরুত্বপূর্ণ।দল সূত্রের খবর, এই দুই শর্ত পূরণ করে সভাপতি হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন জনা তিনেক প্রভাবশালী বিজেপি নেত্রী।প্রথমত অরুণ জেটলির প্রয়াণের পর থেকে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক সামলাচ্ছেন নির্মলা সীতারামান। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আস্থাভাজন। জাতীয় রাজনীতিতে অভিজ্ঞ। বিজেপির শীর্ষ পদাধিকারীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে।তাই বলা হচ্ছে মহিলা কোনও সভাপতি বাছা হলে লড়াইয়ে সবার উপরে রয়েছে নির্মলার নাম।এরপর রয়েছেন, ডি পূর্ণেশ্বরী,তিনি সাংসদ।পূর্ণেশ্বরী অন্ধ্রপ্রদেশ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি। সাবলীল ভাবে হিন্দি বলতে পারেন। তিনিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভরসার পাত্রী। অপারেশন সিঁদুরের প্রতিনিধি দলেও ছিলেন।এর বাইরে,ভনথি শ্রীনিবাসন,তামিলনাড়ু বিজেপির অন্যতম মুখ। বিজেপির মহিলা মোর্চার প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি। বর্তমানে বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির সদস্য।খবর,মহিলা কাউকে সভাপতি হিসাবে বাছা হলে তাঁর নামটাও চর্চায় আসতে পারে।উল্লেখ্য,বিজেপির ইতিহাসে এর আগে কোনও মহিলা সর্বভারতীয় সভাপতি হননি। তাই সংঘ এবং দল এবার কোনও মহিলাকে ওই পদে বসালে সেটা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হবে।
তাছাড়া মহিলা সভাপতি হলে মহিলা ভোটারদেরও একাত্মতার বার্তা দেওয়া যাবে। সম্ভবত সেকারণেই কোনও মহিলাকে দলের শীর্ষপদে বসানোর কথা ভাবা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে রাজ্যে বিজেপির সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। বর্তমান সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার উত্তরসূরির নামও চলতি মাসের শেষের দিকে ঘোষণা করে দিতে পারে বিজেপি।







