
টলিপাড়ার ফার্স্ট বয় এবার সঙ্গীত পরিচালনায়।সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের মিউজিক সেন্স যে বরাবরই ভালো, একথা অনস্বীকার্য। ২০১০ সালে যখন অটোগ্রাফ তৈরি করেছিলেন,সেসময়ে অনুপম রায়ের সঙ্গে তাঁর যুগলবন্দি সাড়া ফেলে দিয়েছিল।পরবর্তীতেও সৃজিত-অনুপম জুটি শ্রোতামহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
শুধু তাই নয়, অতীতে নিজের সিনেমার বাইরে অন্য পরিচালকদের ছবির জন্যেও গান লিখেছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়।এবার সুরকার তথা সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন পরিচালক।এদিকে সৃজিত তাঁর নিজস্ব সিনেমায় বরাবরই গান নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করেছেন। কাকে দিয়ে কোন গানের সুর করালে ক্লিক করবে, সেটা তাঁর ভালোই জানা।তবে এর আগে নিজের ছবির গান লিখলেও সুর করেননি।এই প্রথমবার গান বাঁধার পাশাপাশি সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন তিনি। বলা ভালো,আদ্যোপান্ত সঙ্গীত পরিচালকের ভূমিকায় তাঁকে পেতে চলেছেন অনুরাগীরা। উল্লেখ্য, নিজের সিনেমা ছাড়াও,লে ছক্কা,মাছ মিষ্টি অ্যান্ড মোর এবং ক্রস কানেকশন-এর মতো একাধিক ছবির গান লিখেছেন সৃজিত। অতঃপর গীতিকার তিনি ছিলেনই, এবার সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন।এবার কোন ছবিতে গান-সুর বাঁধছেন সৃজিত? কৌতূহল অস্বাভাবিক নয়।খবর,পরিচালক সুমন ঘোষ শ্রীরামপুর ডায়েরিজ শীর্ষক একটি নতুন বাংলা সিনেমা তৈরি করছেন।সেই ছবিতেই সুরকার হিসেবে পাওয়া যাবে সৃজিতকে। সুমনের তরফ থেকেই সৃজিতের কাছে প্রস্তাব গিয়েছে।প্রথমটায় পরিচালকের কাছে একটি মিউজিক প্রোডাকশন করার প্রস্তাব আসে। পরে সুর দেওয়া এবং মিউজিক কিউরেশনের বিষয়ে কথা হয়। এরপরই তাতে সম্মতি দেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে গল্পটা নয়ের দশকের গোড়ার সময়ের একটি প্রেমকাহিনি।
একইসঙ্গে এটাকে মজার ছবিও বলা যায়। মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন ঋদ্ধি সেন ও সুরাঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে,এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র ছবির গানের সুরও সৃজিত নিজেই করবেন। নেপথ্য সঙ্গীত হয়তো অন্য কেউ করবেন।









