গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

29 C
Kolkata
29 C
Kolkata
More
    Home Technology এআইয়ে ই-বর্জ্য হতে পারে হাজার গুণ

    এআইয়ে ই-বর্জ্য হতে পারে হাজার গুণ

    0
    237

    জেনারেটিভ এআইয়ের উত্থানের কারণে ২০৩০ সালের মধ্যে তৈরি হতে পারে অতিরিক্ত ৫০ লাখ টন ই-বর্জ্য, এমনই উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক নতুন গবেষণায়। গবেষণাটি প্রকাশ পেয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক সাইট নেচার কম্পিউটেশনাল সায়েন্স-এ।

    গবেষণাটি থেকে ধারণা মিলেছে, কোনও নিয়ম-কানুন না বদলালেও কেবল জেনারেটিভ এআই টেকনোলজিই দশকের শেষ নাগাদ ১২ লাখ থেকে ৫০ লাখ টন ই-বর্জ্য তৈরি করবে। গবেষণায় উঠে এসেছে, জেনারেটিভ এআইয়ের কারণে ই-বর্জ্যের পরিমাণ বছরে হাজার গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা ২০২৩ সালে দু’ হাজার ছ’শ টন থেকে প্রতি বছরে বেড়ে ২০৩০ সাল নাগাদ পঁচিশ লাখ টন পর্যন্ত হবে। সার্কুলার ইকোনমি’ বা বৃত্তাকার অর্থনীতির চর্চা এই বর্জ্য ১৬ থেকে ৮৬ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পারে বলে উল্লেখ রয়েছে গবেষণায়।উল্লেখ্য, কোনও অর্থনীতিতে সম্পদ উৎপাদন ও ব্যবহারের শেষে নানাভাবে এর উপযোগিতা ধরে রাখা ও ফের কাজে লাগানোর বিষয় রয়েছে বৃত্তাকার অর্থনীতিতে। এতে যতদিন সম্ভব পরিবেশে থাকা বিভিন্ন উপাদান ও প্রোডাক্ট ভাগ করে নেওয়া, লিজ দেওয়া বা পুনরায় ব্যবহারের মতো নানা বিষয় রয়েছে। টেকসই কম্পিউটিং নিয়ে আগের বিভিন্ন গবেষণায় প্রাথমিকভাবে বিবেচনায় ছিল বিভিন্ন এআই মডেলের শক্তি ব্যবহার ও এ থেকে নির্গত কার্বনের উপর। তবে এআই মডেলের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিভিন্ন উপাদান বা যন্ত্রপাতি ও অপ্রচলিত নানা ইলেকট্রনিক টুলের বর্জ্য, যা ইলেকট্রনিক বর্জ্য বা ই-বর্জ্য হিসাবে পরিচিত। তবে এগুলো কম গুরুত্ব পাচ্ছে,উল্লেখ রয়েছে গবেষণায়।গবেষকরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই’কে সহজ করতে কম্পিউটার চিপের দ্রুত অগ্রগতি হচ্ছে, যার ফলে পুরানো হার্ডওয়্যার দ্রুততম সময়ে বাতিল হয়ে যাচ্ছে।২০২০-২০৩০ সালের মধ্যে জেনারেটিভ এআইয়ের মাধ্যমে ব্যবহৃত ও ফেলে দেওয়া হার্ডওয়্যারের পরিমাণ অনুমান করতে কম্পিউটার মডেল ব্যবহার করেছে গবেষক দলটি।

    ওই মডেলে জেনারেটিভ এআইয়ের অনেক বেশি ব্যবহারের ক্ষেত্রে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ই-বর্জ্য বেড়েছে ২৫ লাখ টন এবং মোট বেড়েছে ৫০ লাখ টন। এর মধ্যে রয়েছে ১৫ লাখ টন সার্কিট বোর্ড ও ৫ লাখ টন ব্যাটারি, যার দুটিতেই রয়েছে বিপজ্জনক ও দূষণকারী উপাদান।

    ছবি  সৌজন্যে : প্রতিনিধিত্ত্বমূলক