
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, জাপান, ভারত ও বাংলাদেশের কিছু অংশে একটি প্রধান খাদ্য হলো চালের আটা। এই আটা সাদা ও বাদামি উভয় চাল দিয়েই হয়।
এই আটার আলাদা কিছু পুষ্টিগুণ রয়েছে। আমরা তো আটা বা ময়দার রুটি অনেক খাই।অনেকে আবার চালের আটার রুটিও খান। কিন্তু এর পুষ্টিগুণ খুব একটা জানেন না।অনেকের গমের আটাতে সমস্যা হয়। গমের আটাতে গ্লুটেন থাকে বলেই মূলত এই সমস্যা হয়। তবে চালের আটায় এই সমস্যা নেই।এই আটায় রয়েছে ভালো পরিমাণে ইনসলিউবল ফাইবার।এর ফলে হমজতন্ত্র ভালো থাকে। এমনকি হজমের বহু সমস্যা মিটে যায়।এতে রয়েছে ভালো পরিমাণে ভিটামিন ডি। এই ভিটামিন ডি আমাদের ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে।১০০ গ্রাম চালের আটায় রয়েছে ৯.২ এম.জি কোলিন।এই কোলিন রক্তনালীতে কোলেস্টেরল ও ফ্যাট তৈরিতে বাধা দেয়। এমনকি লিভারকে সুস্থ রাখতেও পারে এই আটা।এই আটাতে রয়েছে ভালো পরিমাণে জিঙ্ক। এই জিঙ্ক আমাদের শরীরের ইমিউনিটি বাড়াতে পারে।পাশাপাশি চালের আটা ত্বকের জন্যও খুব ভালো। তাই চাইলে ত্বকের নানা সমস্যায় এই আটা বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।এ ছাড়া অনেকে ফেসপ্যাক হিসেবেও এই আটা ব্যবহার করেন। এর মাধ্যমে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ফেরে। ত্বকও মোলায়েম হয়।এখন প্রশ্ন হলো চালের আটার রুটি কীভাবে তৈরি করবেন।আটা অথবা ময়দার রুটি তো অনেক খেয়েছেন।কিন্তু চালের রুটি খেয়েছেন কি। সবাই কিন্তু এই রুটি ঠিকভাবে তৈরি করতে পারেন না। এই রুটি তৈরির সময় অনেকের বেশি নরম হয়ে যায় তো কারো আবার অনেক শক্ত হয়ে যায়। সে জন্য সঠিকভাবে চালের আটার রুটি তৈরির জন্য জানা থাকা চাই সঠিক রেসিপি।এই রুটি তৈরির জন্য লাগবে চালের গুঁড়ো ৩ কাপ, লবণ ও জল। এই উপকরণগুলো সংগ্রহ করার পর সঠিক উপায়ে তৈরি করতে হবে এই রুটি।সেক্ষেত্রে প্রথমে জল গরম করতে হবে। জল ফুটতে শুরু করলে তাতে সামান্য লবণ দিতে হবে। এরপর তাতে দিতে হবে চালের গুঁড়ো। এরপর ৫ মিনিট মৃদু আঁচে জ্বাল দিতে হবে।
চালের গুঁড়ো সিদ্ধর পর সেটি নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। কিছুটা গরম অবস্থায় ভালোভাবে মেখে মন্ড তৈরি করতে হবে। এরপর রুটি তৈরির জন্য লম্বা করে লেচি তৈরি করতে হবে।









