
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সংকটে তেল সরবরাহ নিয়ে এখনও সমস্যা না হলেও দেশজুড়ে রান্নার গ্যাস সরবরাহে ইতিমধ্যেই ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। আগামী দিনে সংকট আরও গুরুতর হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় অতি প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ আইন অর্থাৎ এসমা জারি করেছে কেন্দ্র। এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সরকার। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সাফ বলে দেওয়া হয়েছে, এবার থেকে গ্যাসের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হবে।গ্যাস বুকিং করতে হবে অন্তত ২৫ দিনের ব্যবধানে। সব তেল কোম্পানিগুলিকে ঘরোয়া বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য এলপিজি বা রান্নার গ্যাসের উৎপাদন চাঙ্গা রাখতে বলা হয়েছে।এই সংকটের পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক থাকবে পিএনজি। যে গ্যাস সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ির রান্নাঘরে পৌঁছায়, সেই পরিষেবায় প্রভাব পড়বে না।সিএনজি পরিষেবা বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে ১০০ শতাংশ বজায় রাখা হবে।
যানবাহন, অটো এবং গণপরিবহনে গ্যাস সরবরাহ চলবে। গৃহস্থালির গ্যাস সরবরাহে কোনও সমস্যা হবে না। রান্নার গ্যাসে কোনও কাটছাঁট করা হবে না। শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত গ্যাসের বরাদ্দ কমানো হতে পারে। চা ও চা শিল্প ও উৎপাদন ক্ষেত্রে গত ৬ মাসে যে হারে গ্যাস ব্যবহৃত হয়েছে সেটার ৮০ শতাংশ সরবরাহ করা হবে।রেস্তরাঁগুলির জন্য বরাদ্দ গ্যাসের সরবরাহ নির্ধারণ করার জন্য পৃথক কমিটি গড়া হচ্ছে।








