
টালিগঞ্জের গ্রাহামস রোডে রাস্তার পাশে আবর্জনায় উদ্ধার কাটা মুণ্ডু-র তদন্তে নেমে মহিলার পরিচয় জানতে পেরেছে। নিহত মহিলা দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।
কাজ করতেন পরিচারিকার। তদন্তে পুলিশ আরও জানতে পেরেছে যুবতীর সঙ্গে রাজমিস্ত্রীর সম্পর্ক ছিল। টাওয়ার ডাম্পিং পদ্ধতি ব্যবহার করে আততায়ীকে চিহ্নিতও করে ফেলেছে পুলিশ। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে তদন্তকারী অফিসাররা। এদিকে ময়না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা গিয়েছে মাথার পিছনে ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে খুনের পর গলা কাটা হয়ে থাকতে পারে যুবতীর। শুক্রবার সকালে টালিগঞ্জের অভিজাত এলাকায় প্লাস্টিকে মোড়া কাটা মুণ্ডু পড়ে থাকতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গল্ফ গ্রিন থানার পুলিশ। তড়িঘড়ি এলাকায় পৌঁছন ডিসি এসএসডি বিদিশা কলিতা। নিয়ে আসা হয় স্নিফার ডগ। যেখানে কাটা মুণ্ডুটি পাওয়া গিয়েছে সেখান থেকে সোজা এক কিলোমিটার দূরে আধারশিলা অ্যাপার্টমেন্টের স্পিফার ডগ ভিতরে ঢুকে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায় আবর্জনাস্তূপে যে বস্তা পড়েছিল, সেরকমই বেশকিছু বস্তা আধারশিলা অ্যাপার্টমেন্টের ভিতরে মিলেছে।
এর পাশাপাশি যে এলাকায় কাটা মুণ্ডু মিলেছে তার কাছে একটি মন্দিরে লাগানো সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।







