
পাকিস্তানে অস্ত্র প্রশিক্ষণ, আইইডি বানানোয় পারদর্শী ক্যানিং থেকে গ্রেফতার কাশ্মীরের জঙ্গি জাভেদ মুন্সির। সুন্দরবন হয়ে বাংলাদেশে পাড়ি দেওয়ার ছক ছিল জাভেদের। এমনটাই খবর পুলিশের।
জাভেদ মুন্সির বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতা বা ইউএপিএ ধারায় মামলা রয়েছে। তেহরিক উল মুজাহিদিনের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন জাভেদ। তেহরিক উল মুজাহিদিন নিষিদ্ধ হওয়ার পর কাশ্মীরের মুসলিম লিগ সংগঠনটি জোরদার চেষ্টায় ছিলেন। সংখ্যালঘু যুব সদস্যদের সংগঠনে ঢোকানোর কাজ করছিল জাভেদ আহমেদ। তল্লাশিতে জাভেদের থেকে কিছু নিষিদ্ধ বই এবং নথি মিলেছে। ২০১১-য় আল ই হাদিত নেতা শওকত শাহ খুনের মামলায় জেল হয়েছিল জাভেদের। ২০১৫-য় জেল থেকে বেরোনোর পর নতুন সংগঠন তৈরির চেষ্টা করছিলেন। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপালেও যাতায়াত ছিল জাভেদের। কাশ্মীরের পুলিশ সূত্রে খবর শ্রীনগর থেকে প্রথমে দিল্লিতে আসে জাভেদ। এরপর দিল্লি থেকে বিমানে কলকাতায় নামে শুক্রবার। এরপর সেখান থেকে বাই রোডে ক্যানিংয়ে জামাইবাবুর বাড়িতে ওঠে জাভেদ আহমেদ মুন্সি। ক্যানিং হাসপাতালের কাছে ওই বাড়িটির নাম গুলশান হাউস। জাভেদের জামাইবাবু কাশ্মীরি শাল বিক্রেতা। শনিবার রাতে কাশ্মীর এবং রাজ্য পুলিশের এসটিএফ যৌথ অভিযানে জামাইবাবুর ঘর থেকেই গ্রেফতার করা হয় জাভেদকে।
অনুমান ক্যানিং থেকে বাংলাদেশ হয়ে পাকিস্তানে যাওয়ার ছক ছিল জাভেদ মুন্সির। আলিপুর আদালতের নির্দেশে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ট্রানজিট রিমান্ডে জাভেদ মুন্সিকে জম্মু-কাশ্মীরে নিয়ে যাচ্ছে কাশ্মীর পুলিশ।







