
মেসি কলকাতা ছাড়তেই গ্রেফতার প্রধান উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। মেসির বিমান হায়দরাবাদের উদ্দেশে উড়ে যেতেই এয়ারপোর্ট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে শতদ্রু দত্তকে।
তিনি মেসিকে ছাড়তে এয়ারপোর্টে গিয়েছিলেন। এর আগে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার স্পষ্ট করেছিলেন ঘটনার দায় সম্পূর্ণভাবে ইভেন্টের আয়োজক ও ব্যবস্থাপনার। তদন্ত শেষ হলে দর্শকদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এর কিছুপরেই গ্রেফতার করা হয়েছে শতদ্রু দত্তকে। আর তাতেই কার্যত অবসরে চলে যেতে হয়েছে শতদ্রু দত্তকে। ব্যবসায়ী পরিচয়ের পাশাপাশি যাঁর আরেকটি পরিচিতি স্পোর্টস প্রোমোটার হিসেবে। শতদ্রু এর আগে পেলে, দিয়েগো মারাদোনা থেকে ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কাফু বা আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেসকে। কিন্তু নিওনেল মেসির ক্ষেত্রে সব হিসেবে গোলমাল হয়ে গিয়েছে। এই ধরণের অনুষ্ঠানের জন্য যে পরিকল্পনা করতে হয়, তা আন্দাজই করতে পারেননি শতদ্রু দত্ত। পুলিশের সঙ্গে সমর্থকদের হাতাহাতি, চেয়ারভাঙা, বোতল ছোড়া বাদ যায়নি কিছুই। সেই আঁচ যাতে রিষড়ার বাড়িতে না ছড়িয়ে পড়ে তারজন্যই বাড়ির সামনে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। রিষড়া থানাতেও রাখা হয়েছে বাড়তি ফোর্স। শতদ্রুর জন্ম হুগলির রিষড়াতেই। শ্রীরামপুরের হোলি হোম স্কুলে পড়াশোনা। এরপর অর্থনীতি উচ্চশিক্ষা। পেশা হিসেবে বেছে নেন ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট এবং ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কিং। চাকরিও করেন বেসরকারি ব্যাঙ্কে।
২০১১-য় চাকরি ছেড়ে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কাজ শুরু করেন। সেই সূত্রে সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে পরিচয়। তারপর ধীরে ধীরে উত্থান।







