
তিন বছর আগে যে মাঠে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স উপহার দিয়েছিল ফুটবলের ইতিহাসের সেরা ম্যাচে একটি, সেখানে আরব কাপের ফাইনালে হলো জমজমাট এক লড়াই। উজ্জীবিত ফুটবল খেলা জর্ডানকে হারিয়ে ট্রফি জিতল মরক্কো।
কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে ৩-২ গোলে জিতেছে মরক্কো।ওসামা তান্নানের গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় মরক্কো। দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে সমতা ফেরানোর পর সফল স্পট কিকে দলকে এগিয়ে দেন আলি ওলওয়ান।শেষ দিকে সমতা ফেরানোর পর অতিরিক্ত সময়ে ব্যবধান গড়ে দেন আব্দেররাজ্জাক হামেদ-আল্লাহ।ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় মরক্কো। চতুর্থ মিনিটে ৩৫ গজ দূরের থেকে গতিময় শটে জালে খুঁজে নেন তান্নানে।আট মিনিট পর ডি বক্সের বাইরে থেকে কারিম এল বেরকাউয়ির জোরাল শট ঠেকিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি জর্ডান গোলরক্ষক।৩৩ মিনিটে ম্যাচে নিজেদের প্রথম বড় সুযোগ পায় জর্ডান।হুসাম আবু আল দাহাবের হেড ফিরিয়ে দেন মরক্কো গোলরক্ষক মেহদি বেনাবিদ। বিরতির পরপরই সমতা ফেরায় মরক্কো।দ্রুত নেওয়া কর্নারের পর মোহান্নাদ আবু তাহার ক্রসে চমৎকার হেডে জাল খুঁজে নেন অরক্ষিত ওলওয়ান।৬৮ মিনিটে ঠাণ্ডা মাথার স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আল ওলওয়ান।ডি বক্সে আশরাফ এল মাহদিওইয়ের হ্যান্ডবলে জন্য ভিএআরে রিপ্লে দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি।৮৭ মিনিটে সৌভাগ্যের এক গোলে সমতা ফেরান আব্দেররাজ্জাক।মোহাম্মদ হিরমাতের হেড ঝাঁপিয়ে ঠেকান জর্ডান গোলরক্ষক। ফিরতি বল আব্দেররাজ্জাকের গায়ে লেগে ফেরে পোস্ট ছুঁয়ে। ফের বল পেয়ে খুব কাছ থেকে জাল খুঁজে নেন তিনি।অফসাইডের জোরাল আওয়াজ তুলে জর্ডান। ভিএআরের সঙ্গে কথা বলে গোলের বাঁশি বাজান রেফারি। সমতার উল্লাসে মাতে মরক্কো।অতিরিক্ত সময়ের অষ্টম মিনিটে প্রতি-আক্রমণ থেকে নায়ক হওয়ার সুযোগ ছিল আলওয়ানের সামনে। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও তার বরাবরই শট নিয়ে হতাশ করেন তিনি। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।আবার খেলা শুরু হলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে জালে বল পাঠান আবু তাহা।তবে তার হ্যান্ডবলের জন্য মেলেনি গোল।আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে উত্তেজনা ছড়ানো ম্যাচে আব্দের রাজ্জাকের গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো।
কর্নার থেকে বল পেয়ে মারওয়ানে সাদানের হেডে পোস্টের খুব কাছে বল পেয়ে যান আব্দের রাজ্জাক। বাকিটা অনায়াসে সারেন আল শাবাবের ফরোয়ার্ড আব্দের রাজ্জাক।









