
২১ জুলাই ভোররাতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যমগ্রামে। স্থানীয়দের বিক্ষোভে সকাল থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে যশোর রোডের বিস্তীর্ণ অংশ।
ক্ষোভ সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশবাহিনী ও র্যাফ। পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার ভোর চারটে নাগাদ মধ্যমগ্রামের কাজী নজরুল ইসলাম সরণিতে একটি মোটরবাইক ও মাছ বোঝাই একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। অভিযোগ, ডিভাইডারের ফাঁক দিয়ে রাস্তা পেরোতে গিয়ে বাইকটিকে সজোরে ধাক্কা মারে ভ্যানটি। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান পেছনে বসে থাকা আরোহী এস কে কাসেদ। গুরুতর আহত বাইকচালক জিয়ারুল রহমান-কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনিও মারা যান। দুর্ঘটনার তীব্রতা এতটাই ছিল যে, উল্টে যায় পিকআপ ভ্যানটি। তবে চালক ও খালাসি দু’জনেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। পথ অবরোধ করে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ চলে যশোর রোডে। মধ্যমগ্রাম থানার ওসি-সহ উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জনতাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা একটি পুলিশ কিয়স্কে ভাঙচুর করেন ও থানার সামনে প্রতিবাদ দেখিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ, দুর্ঘটনার সময় এলাকায় একাধিক সিভিক ভলান্টিয়ার ও পুলিশ থাকলেও অভিযুক্ত চালককে আটক করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরে ঘটনাস্থলে যান বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস। তিনি র্যাফ নামিয়ে অবরোধকারীদের সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।









