
ম্যাচ শেষ হতে তখন কয়েক মুহূর্ত বাকি। অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা দ্বিতীয় মিনিটের খেলা চলছিল। এ সময় বার্সেলোনার বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে কোপা দেল রের ফাইনালে পিছিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ।ম্যাচে ফিরতে তাই এক সেকেন্ডও সময় নষ্ট করতে চায় না রিয়াল।বাঁচা-মরার সময়ই বল নিয়ে আক্রমণে উঠছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। প্রতিপক্ষের বক্সে ঢোকার সময় বার্সেলোনার ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার মুখে এমবাপ্পের হাত লাগলে ফাউলের বাঁশি বাজান রেফারি।
রেফারি রিকার্দো দে বুর্গোস বেনগোচেয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেনি রিয়ালের ম্যানেজমেন্টসহ খেলোয়াড়রা।অন্যদের মতো ক্ষিপ্ত হন অ্যান্টোনি রুডিগার।এতটাই রাগান্বিত ছিলেন যে হাতের কাছে কিছুটা পেয়ে রেফারির দিকে ছুঁড়ে মারেন রিয়াল মাদ্রিদের ডিফেন্ডার। ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যম পরে জানিয়েছে, ছুড়ে মারা বস্তু ছিল বরফের টুকরা। জার্মান ডিফেন্ডারের এমন প্রতিক্রিয়ায় শাস্তি যা হওয়ার তাই হয়েছে। রেফারি তৎক্ষণাৎ লাল কার্ড দেখান।লাল কার্ড পাওয়ার পর আরো ক্ষিপ্ত হন রুডিগার। ম্যাচের ১১১ মিনিটে বদলি হওয়া ডিফেন্ডারকে নিবৃত্ত করতে ম্যানেজমেন্টের কয়েকজন তাকে ধরে রাখেন। সেই মুহূর্ত নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও ম্যাচ শেষে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পেরেছেন রুডিগার। তাই নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন তিনি।নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন রুডিগার।
তবে ক্ষমা চাইলেও বড় ধরনের শাস্তি থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন না রুডিগার। কেননা তিনি যে ধরনের আচরণ করেছেন তাতে কমপক্ষে ৪ থেকে ১২ ম্যাচ নিষিদ্ধ হতে পারেন। স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন ,আরএফইএফ যদি তার অপরাধকে আরো গুরুতর মনে করে তাহলে ৩ থেকে ৬ মাস নিষিদ্ধ হতে পারেন। একই ঘটনায় লাল কার্ড দেখেছেন লুকাস ভাসকেস ও জুড বেলিংহামও।









