গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

36 C
Kolkata
36 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle অল্পবয়সিদের মধ্যে বাড়ছে স্ট্রোক 

    অল্পবয়সিদের মধ্যে বাড়ছে স্ট্রোক 

    0
    58
    ছবি সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    এখন বলা হচ্ছে বিশ্বে প্রতি দশটি মৃত্যুর একটি হয় স্ট্রোকের কারণে। আর পঙ্গুত্বের জন্য ঘরবন্দি হয়ে বাকি জীবন কাটানোর পিছনেও একটিই কারণ, তা হল ব্রেন স্ট্রোক।

    স্ট্রোকের কবলে পড়ে শয্যশায়ী জীবন কাটানোর এমন ঘটনা প্রায়শই শোনা যায়। ব্রেন স্ট্রোক এমনই মারাত্মক অসুখ। অথচ একটু সচেতন হলেই এই রোগ এড়ানো যায় অনায়াসে।নিয়মিত চেক আপ আর সতর্কতা মেনে রোজকার জীবনযাত্রায় কিছু বদল আনলে আচমকা মারাত্মক স্ট্রোকের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে কাজে লাগাতে পারেন জাপনি পদ্ধতি আশিইউ। সারা দিনে ২০ মিনিট এই পদ্ধতি মেনে চললে নাকি ব্রেন স্ট্রোক আর হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি অনেকটাই কমে।এখন প্রশ্ন হল,আশিইউ বিষয়টি ঠিক কী?আশিইউ হল পায়ের স্নান। অর্থাৎ পা জলে ডুবিয়ে রাখার পদ্ধতি। এই পদ্ধতি নিয়ম করে অনুসরণ করলে শরীরে রক্ত চলাচলের মাত্রা বাড়ে, মানসিক চাপ কমে, রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে। বিভিন্ন ওয়েলনেস সেন্টারে এমনকি বাড়িতেও আশিইউ করেন জাপানিরা।এর জন্য প্রয়োজন ঈষদুষ্ণ জল। জলের তাপমাত্রা হতে হবে ৩৮ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। সেই জলে মিনিট ২০ পা ডুবিয়ে রাখলে পায়ের স্নায়ু এবং রক্তজালিকাগুলি উদ্দীপিত হয়। রক্ত সঞ্চালনের হার বাড়ে, প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কের উপরেও।আসলে,বেঁচে থাকার জন্যে প্রতিটি কোষের প্রয়োজন অক্সিজেন-সমৃদ্ধ রক্ত। মস্তিষ্কের কোষও তার ব্যতিক্রম নয়। বিভিন্ন কারণে মস্তিষ্কের রক্তবাহী ধমনীর পথ সঙ্কীর্ণ হয়ে গেলে বা সেখানে চর্বির স্তর জমে রক্ত চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেলে মস্তিষ্কের কোষ অক্সিজেনের অভাবে নিস্তেজ হতে হতে অকেজো হয়ে যায়। এই ব্যাপারটাই হল স্ট্রোক।জাপানিরা বিশ্বাস করেন যে, পায়ের তলা শরীরের অন্যান্য অংশের সুস্থতার উপর প্রভাব ফেলে। পায়ে ৭ হাজারেরও বেশি স্নায়ুপ্রান্ত থাকে, যা রিফ্লেক্স নামে পরিচিত। এগুলি শরীরের প্রতিটি অঙ্গ এবং সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত। এই রিফ্লেক্স পয়েন্টগুলি স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপিত করে এবং মস্তিষ্কে অক্সিজেন প্রবাহের হার বৃদ্ধি করে। ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।এই অবস্থায়,জল গরম করে একটি বড় টবে ভরে নিন। জলের তাপমাত্রা যেন ৩৮ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে, সে বিষয় খেয়াল রাখুন।এ বার আরাম করে বসে ১৫-২০ মিনিট জলে পা ডুবিয়ে রাখুন।এই সময় কারও সঙ্গে কথা বলা, ফোন দেখার মতো কোনও কাজ করবেন না। বরং বই পড়তে পারেন, শ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন।

    প্রক্রিয়াটি শেষ করে পা ভাল করে মুছে নিন। কিছু ক্ষণ বিশ্রাম করে তার পর অন্য কাজ করুন।