
বিছানায় পড়ে স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ, সিলিংয়ে ঝুলছে স্বামী। আর তাঁদের আড়াই বছরের শিশু কেঁদেই চলেছে। শনিবার সকালে সোনারপুরে শিশুর কান্না শুনেই প্রতিবেশীরা গিয়ে হাড়হিম করা ঘটনাকে দেখতে পায়।
জানা গিয়েছে পৈতক বাড়ি ছেড়ে স্ত্রীর জোরাজুরিতে সোনারপুরের মথুরাপুরে একটি ভাড়াবাড়িতে উঠেছিলেন শশধর হালদার। এই নিয়ে প্রায়ই স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলা হত বলে জানিয়েছে প্রতিবেশীরা। শশধর এবং তাঁর স্ত্রী পায়েলের বাড়ি কুলপিতে। মাস কয়েক ধরে মথুরাপুরে ভাড়াবাড়িতে থাকছিলেন। শশধর ট্রেনে হকারি করতেন। শনিবার সকালে দম্পতির আড়াই বছরের শিশুর কান্না শুনে প্রতিবেশী গিয়ে বাড়ির মধ্যে দুইজনের দেহ দেখতে পায়।
এরপরেই পুলিশে খবর দেয় প্রতিবেশীরা। পুলিশের অনুমান স্ত্রীর গলা কেটে তারপরে আত্মঘাতী হয়েছেন শশধর। পারিবারিক অশান্তির কারণে খুন নাকি এর পিছনে অন্য কারণ আছে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।









