
বিশ্বজুড়ে প্রতিকূল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মেমোরি চিপের সংকটের মধ্যেও প্রবৃদ্ধি দেখেছে বিশ্বজুড়ে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের ,পিসি বাজার। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে,জানুয়ারি-মার্চ পিসি বিক্রি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।
বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডেটা করপোরেশনের,আইডিসি-র সাম্প্রতিক রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে।এই প্রবৃদ্ধি মূলত তিনটি প্রধান অঞ্চল,আমেরিকা, এশিয়া প্যাসিফিক এবং ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা ,ইএমইএ—এর সম্মিলিত ফলাফল। এর মধ্যে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ৪.৩% এবং ইএমইএ অঞ্চলে ৭.৪% প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে আমেরিকায়, যেখানে পিসি শিপমেন্ট ৩.৩% কমে গেছে।আইডিসি জানিয়েছে,বিশ্বজুড়ে এ সময়ে মোট ৬ কোটি ৫৬ লাখ ইউনিট পিসি সরবরাহ করা হয়েছে। মূলত তিনটি প্রধান কারণে এ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে গবেষণা সংস্থাটি। এর মধ্যে আছে যন্ত্রাংশের মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে আগেভাগেই পণ্য ক্রয়ের প্রবণতা,উইন্ডোজ ১০ থেকে নতুন ভার্শনে গ্রাহকদের স্থানান্তর ও বাজারে নতুন এবং উন্নত ফিচারের ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ পিসির আগমন।আইডিসির রিসার্চ ভাইস প্রেসিডেন্ট জঁ ফিলিপ বোচার্ড বলেছেন, ২০২৬ সাল হবে বাজারের দখল বা শেয়ার পরিবর্তনের বছর।
পিসি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সরবরাহ ব্যবস্থা ও মেমোরি চিপের মতো জরুরি যন্ত্রাংশ সংগ্রহের সক্ষমতা সামনের দিনে বড় পরীক্ষার মুখে পড়বে।প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হলেও বছরের বাকি সময়ে পিসি সরবরাহে পতনের আশঙ্কা রয়েছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।









