আত্মহত্যা নয়, খুনে করা হয়েছে ক্লাস সিক্সের ছাত্রীকে। বাড়ির আলমারি থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হতেই পুলিশের সামনেই বাবা-সৎ মাকে বেধড়ক মারধর করেছেন স্থানীয়রা। কিল, চড়, ঘুষি, জুতোপেটা বাদ যায়নি কিছুই। তাঁদের দাবি আর জি করে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের ভাগ্নি ছিল ওই মেয়েটি। সঞ্জয়ের বড়দির মেয়ে। তাঁর মায়েরও দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল। দিদির মৃত্যুর পর শ্যালিকাকে বিয়ে করেন মেয়েটির বাবা। মাসি তথা সৎমা এবং তার বাবা ছোট্ট মেয়েটির ওপর দিনের পর দিন অত্যাচার চালাত। প্রতিবেশীদের দাবি পড়া না পারলে দেওয়ালে মাথা ঠুকে দেওয়া হত।
গ্রাম থেকে শহর
News & Much More






