
আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে জেলায় জেলায় ডাক্তারদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। কোথাও টিকিট কেটেও হল না চিকিৎসা, কোথাও আবার স্বল্পবিরতির জেরে ফিরে যেতে হয়েছে রোগীকে।
এর মধ্যে কলকাতার সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল তো রয়েইছে, পাশাপাশি জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজ এবং সরকারি হাসপাতালগুলিতেও কর্মবিরতি পালন করছেন চিকিৎসকেরা। মালদার চাঁচল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার, অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার সহ সিনিয়র ডাক্তাররা প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। নদিয়ার কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালেও ডাক্তারদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। যারফলে ব্যাহত রয়েছে পরিষেবা। এদিকে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ওপিডি-তে কাজ করছেন না জুনিয়ার চিকিৎসকরা। সিনিয়াররা চিকিৎসকরা পরিষেবা চালু রাখলেও সবকিছু স্বাভাবিক হবে। ডায়মণ্ড হারবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরজি কর কাণ্ডে ডাক্তারি পড়ুয়াদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবী, অবিলম্বে ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। বসিরহাটে স্বাস্থ্য জেলা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নার্স এবং চিকিৎসকদের কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। আন্দোলন অব্যাহত মহেশ ভট্টাচার্য হোমিয়োপ্যাথি কলেজে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আউটডোর বিভাগে চিকিৎসার জন্য রোগীদের টিকিট দেওয়া শুরু হলেও পরে কয়েক জন জুনিয়র চিকিৎসক এসে কাউন্টার বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ। এতে বিপাকে পড়েন দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগী এবং তাঁদের পরিবারগুলি। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক পড়ুয়াদের আন্দোলন চতুর্থ দিনেও অব্যাহত। নিরাপত্তার দাবিতে অনির্দিষ্ট কালের জন্য অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করল পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ডাক্তারি পড়ুয়ারা। বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলে মিছিল করে পথে নামেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকেরা।








