
তীব্র দাবদাহে পুড়ছে গোটা বাংলা। এই আবহে প্রচন্ড গরমের হাত থেকে ঝড়খালি ওয়াইল্ড আনিম্যাল পার্কের তিনটি বাঘ-কে বাঁচাতে শুরু হয়েছে বিশেষ পরিচর্যা।
গরমের মধ্যে বন দফতরের তরফ থেকে তিনটি বাঘের জন্য টেবিল ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তা ছাড়াও ঠান্ডা জলে স্নান করানোর ব্যবস্থা রেখেছে কতৃপক্ষ। পাশাপাশি খাবারের জন্য রাখা হয়েছে ওআরেএস জল। সুন্দরবনের ঝড়খালি এই পার্কের পর্যটকদের টানতে বছর তিনেক আগে তিনটি বাঘের শাবকদের আনা হয়েছিল। তাদের নাম রাখা হয় সোহানি, সোহান ও সুন্দর,তাদেরকে দেখতেই পর্যটকরা ভিড় করে এই পার্কে। এদিকে তীব্র দাবদাহের জেরে মে ডে-র ছুটির দিনেও কার্যত জনশূন্য আলিপুর চিড়িয়াখানা। বুধবার সকাল থেকেই চিড়িয়াখানায় হাতেগোনা দর্শককে দেখা গিয়েছে। পাশাপাশি হাঁসফাঁস অবস্থা চিড়িয়ানায় থাকা পশু-পাখিদেরও। চিড়িয়ানার প্রতিটা এনক্লোজারের সামনেই দেখা নেই সেখানকার বসবাসরত আবাসিকদের। তীব্র দাবদাহ থেকে বাঁচতে, বাঘ, সিংহ থেকে শুরু করে জিরাফ এমনকি শিম্পাঞ্জিরাও তাঁদের নিজেদের খাঁচার মধ্যে রয়েছে। ফলে যে সমস্ত দর্শকরা চিড়িয়াখানায় এসেছে তাঁরা হতাশ হয়ে ফিরছেন। পাশাপাশি চিড়িয়াখানার পশুদের স্নান ও খাওয়ার জন্য জলের বাবস্থা করা হয়েছে। যা বারংবার দিনের বেলায় চেঞ্জ করে দেওয়া হচ্ছে।









