
মেয়ের অপরাধীদের কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তির দাবিতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন আর জি কর-এর নিহত তরুণী চিকিৎসকের মা।
চিঠিতে তিনি লিখেছেন, তাঁদের মেয়ের দেখা সমস্ত স্বপ্ন, আশা শেষ হয়ে গিয়েছে দুর্বৃত্তের লালসায়। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্বৃত্তেরা হাসপাতালের ভিতরের লোক ছাড়া হতে পারে না। চিঠিতে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যে বা যারা এই ধরণের ঘটনা ঘটিয়েছে তাঁদের আড়াল করতেই কি সমস্ত তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হচ্ছে? তিনি জানিয়েছেন, রাত ১১.১৫ মিনিট পর্যন্ত মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। সেই হাসিখুশি মেয়েটাই সকালে নেই হয়ে গিয়েছে। ঘটনা যাই ঘটুক, হাসপাতাল কতৃপক্ষের উচিত ছিল, বাবা-মাকে সবটা জানানোর। হাসপাতালে পৌঁছে মেয়েকে একবার দেখার জন্য কাকতি-মিনতি করতে হয়েছে মা-বাবা’কে। কিন্তু দরজা আগলে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশকর্মী তদন্ত চলার নামে বাধা দিয়েছে সেমিনার রুমের ভিতরে ঢুকতে। মৃত মেয়ের মুখ দেখতে বাবা-মা’কে অপেক্ষা করতে হয়েছিল প্রায় ৩ ঘণ্টা। যেই সেমিনার রুমে মৃতদেহকে ঘিরে ছিল থিকথিকে ভিড়, বাবা-মা প্রবেশের পর সেখানে কলকাতা পুলিশের প্রধান ছাড়া কেউ ছিলেন না।মৃত তরুণী চিকিৎসকের মায়ের অভিযোগ, পুরো ঘটনা সাজিয়েগুছিয়ে দেখানো হয়েছিল। মেয়ের মৃতদেহ চেষ্টা করলেও পুলিশ ও প্রশাসনের অতি সক্রিয়তায় তাঁরা তা করতে পারেননি। কিন্তু পুলিশের এই অতি সক্রিয়তা বজায় ছিল, মৃত তরুণীর শেষকৃত্য পর্যন্তই। মেয়ের কষ্টার্জিত স্বপ্নকে গঙ্গায় ভাসিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তারা।









