
যে কোনও দেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষিত রাখাটাই সেদেশের সবথেকে বড় গণতান্ত্রিক। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিপীড়নে এমনটাই বলেছেন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
এদেশে যদি সংখ্যালঘুরা সুরক্ষিত থাকে, তবে প্রতিবেশী দেশেরও উচিত সেদেশের সংখ্যালঘুদের সুরক্ষিত রাখা। সেটা না হলে গণতন্ত্রের পক্ষে ভাল নয়। অন্যদিকে রাজ্যের আরেক মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির মুখে শান্তির বাণী। তিনি বলেছেন বাংলাদেশ এবং ভারতের মানুষের অবিলম্বে গেট টুগেদার প্রয়োজন। তবেই শাস্তি ফিরতে পারে। তাঁর কথায় বাংলাদেশে যাঁরা অন্যায় করছেন এটা ধর্মীয় ভুল নয়।
যেকোনও ধর্মের মানুষ যেকোনও জায়গায় থাকতে পারে। বাংলাদেশে ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননার নিন্দা করেছেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি।









