
চোল সাম্রাজ্য বিকশিত ভারতের রোডম্যাপ। তামিলনাড়ুর আরিয়ালুরে ইউনেস্কো-তালিকাভুক্ত গঙ্গাইকোন্ডা চোলাপুরম মন্দিরে রাজা রাজেন্দ্র চোল প্রথমের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক জনসভায় দাঁড়িয়ে এমনই মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছেন, চোল সভ্যতা উত্তরাধিকার, ভারতের সাংস্কৃতিক পুনরুত্থান এবং দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি বলেছেন, তামিলনাড়ুর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য জাতীয় পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কেন্দ্র সরকার চায় ভারতের প্রতিটি কোণ থেকে উঠে আসা এই গৌরবময় ইতিহাসকে নতুন প্রজন্ম জানুক, শিখুক এবং গর্ব অনুভব করুক। একইসঙ্গে সরকার গঙ্গাইকোন্ডা চোলপুরম এবং তামিলনাড়ুর অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থানগুলিকে আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে তুলে ধরার পরিকল্পনা করছে। ঐতিহাসিক সচেতনতা ও সাংস্কৃতিক গর্ব বৃদ্ধি করতে বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, শিক্ষাক্ষেত্রে চোল ইতিহাস অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও ভাবনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী ত্রিচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি হেলিকপ্টারে গঙ্গাইকোন্ডা চোলপুরমের উদ্দেশে রওনা দেন। তিনি অবতরণ করেন ঐতিহাসিক চোলগঙ্গম’ হ্রদের শুকনো তটে নির্মিত একটি অস্থায়ী হেলিপ্যাডে।
সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী একটি বর্ণাঢ্য রোডশো-এ অংশ নেন, যা তাঁকে বৃহদীশ্বর মন্দির পর্যন্ত নিয়ে যায়। রাস্তার দু’পাশে জড়ো হয় হাজার হাজার মানুষ, যারা পতাকা নেড়ে, স্লোগান দিয়ে এবং চোল যুগের ঐতিহ্যবাহী সাজে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানায়। স্থানীয় শিল্পীরা ঐতিহ্যবাহী তামিল বাদ্যযন্ত্র ও নৃত্যের মাধ্যমে তাঁকে স্বাগত জানান।






