
বছরের প্রতীক্ষিত সিনেমাগুলোর তালিকায় সবার আগের সারিতেই ছিল,হাউ টু ট্রেইন ইয়োর ড্রাগন। অ্যা মাইনক্রাফট মুভি, লিলো অ্যান্ড স্টিচ কিংবা,ক্যাপ্টেন আমেরিকা ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড-এর পরই ফ্যান ফলোয়ারদের প্রত্যাশা ঘিরে রয়েছে এই সিনেমাটি।
যার প্রভাব দেখা গেল এর মুক্তির পরই। মুক্তির প্রথম সপ্তাহে রেকর্ড পরিমাণে আয় দিয়ে যাত্রা শুরু করল এটি। বলা যায়,ড্রাগন আবার ডানা মেলেছে। আর তার শ্বাসে ছড়ানো আগুনের তেজ থামার কোনও ইঙ্গিত আপাতত নেই।রিপোর্ট অনুসারে, উত্তর আমেরিকায় মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তে ,৩ দিনে প্রায় ৮৪ মিলিয়ন আয় করেছে, যা এই ফ্র্যাঞ্চাইজির সর্বোচ্চ উদ্বোধনী রেকর্ড। ইন্টারন্যাশনাল বাজারে ৬১-৮১ টি দেশে প্রদর্শনে এটি ১১৪ মিলিয়ন আয় করেছে।আন্তর্জাতিক বাজারসহ থেকে প্রথম সপ্তাহান্তে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৯৭ মিলিয়ন ডলার। ভারতেও বেশ সাড়া ফেলেছে সিনেমাটি। চার দিনে ভারতে ১২ কোটির কাছাকাছি আয় তুলে নিয়েছে এটি।বর্তমানে ভারতে হাউজফুল ৫ এর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে সিনেমাটি। তাই দর্শক বেশ ঘাটতি রয়েছে এর।এটি এখন পর্যন্ত ফ্র্যাঞ্চাইজির সবচেয়ে বড় উদ্বোধনী আয় এবং পোস্ট-প্যান্ডেমিক যুগে ইউনিভার্সাল পিকচার্সের তৃতীয় সর্বোচ্চ ওপেনিং সিনেমা হিসেবে নাম লিখিয়েছে। আশ্চর্যের বিষয়, সিনেমাটি প্রথম সপ্তাহেই পিছনে ফেলে দিয়েছে ক্রিস্টোফার নোলানের অস্কারজয়ী সিনেমা ওপেনহাইমার-এর উদ্বোধনী আয়কেও। প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রোডাকশন বাজেট ইতিমধ্যে পুনরুদ্ধার করে ফেলেছে এটি। তবে ট্রেড বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রকৃত লাভে পৌঁছাতে হলে বিশ্বজুড়ে আয় ৩৫০-৩৭৫ মিলিয়ন ডলার স্পর্শ করতে হবে। মুক্তির পরপরই যেভাবে লাইভ-অ্যাকশন রূপকথাটি বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে, তাতে বিশ্লেষকদের অনুমান, এই যাত্রা কেবল শুরু। সামনে অপেক্ষা করছে এক ঐতিহাসিক ব্লকবাস্টার অধ্যায়।
ড্রিমওয়ার্কসের বিখ্যাত অ্যানিমেটেড সিরিজ অবলম্বনে নির্মিত এই লাইভ-অ্যাকশন রিমেকের মূল ভূমিকায় রয়েছেন ম্যাসন থেমস ,হিকআপ এবং নিকো পার্কার ,অ্যাস্ট্রিড। এটি এই ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ সিনেমা। পুরনো ফ্যানদের জন্য সুখবর- মূল ট্রিলজির নির্মাতা ডিন ডিব্লোইসই পরিচালনায় ফিরেছেন। ফলে, প্রিয় ড্রাগন জগত ফিরে এসেছে নতুন রূপে, কিন্তু সেই পুরনো আবেগ নিয়ে।






