
সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এখন আমজনতার সঙ্গে ডেইলি ভ্লগ বা ফুড ভ্লগ বানানোতে মেতে উঠেছেন তারকারাও।ব্যতিক্রম নন বলিপাড়ার তারকারাও। এই তালিকায় রয়েছেন ফারহা খানও। ইতিমধ্যেই নিজের ফুড ভ্লগ শুরু করেছেন তিনি।
সম্প্রতি সেই ভ্লগের শুট করতেই তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন অভিনেতা সোনু সুদের মুম্বইয়ের বিলাসবহুল বাংলোতে। তবে নিছকই ভ্লগের শুটিং হল যে এমনটা নয়। দু’জনের দেখা হওয়াতে পাহাড়প্রমাণ স্মৃতি উসকে দিয়ে চলল আড্ডাও। সেই আড্ডাতেই ফাঁস করলেন ফারহা যে, তাঁর হ্যাপি নিউ ইয়ার, ছবির শুটিংয়ে নাকি ১৫০ সিন টানা স্যালাড খেয়েই পেট ভরিয়েছিলেন সোনু। ছবির শুটিং চলাকালীন সোনুর এই খাদ্যাভ্যাস নিয়ে ফারহা বলেন, ২০১৪ সালে আমরা ছবির পুরো টিম দুবাই উড়ে গিয়েছিলাম। ১৫০ দিন সেখানে শুটিং চলেছিল। যেহেতু সোনু একজন নিরামিষাশী তাই শুটিংয়ের ওই ১৫০ দিন ও শুধুমাত্র স্যালাড খেয়েই ছিল। একইসঙ্গে সোনুর বাড়িতে খাওদাওয়ার পর্বও সারেন ফারহা। সোনুর স্ত্রী ফারহার জন্য বানান অ্যাভোকাডো টোস্ট। এর ফাঁকেই হ্যাপি নিউ ইয়ার ছবির স্মৃতিতেও বুঁদ হন তিনি। বলেন আমরা এই ছবির প্রচারের জন্য প্রচুর পরিশ্রম করেছিলাম। আমরা এতটা পি আর করেছিলাম যা অন্য ছবিতে সচরাচর দেখা যায় না।শাহরুখ খান, দীপিকা পাড়ুকোন, বোমান ইরানি ও সোনু সুদ অভিনীত ১১ বছর আগের ছবির স্মৃতিরোমন্থন করতে গিয়ে ফারহা আরও বলেন, এই ছবির তুমুল জনপ্রিয়তার পর আমরা একটা ডান্স রিয়ালিটি শো শুরু করেছিলাম,হ্যাপি নিউ ইয়ার ডান্স কম্পিটিশন। যা বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। এরপর আমি ওই শো ছেড়ে ডাবিং এবং মিক্সিংয়ের কাজ শুরু করি। তার কিছুদিনের মধ্যে আমরা ফের দুবাই যাই এই ছবির প্রিমিয়ারে।
মজার ছলে ফারহা বলেন, ছবি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের টিমের সকলে ৫ মিনিটের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েন। সিনেমার স্মৃতি ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি সোনুর নতুন বাংলোও ঘুরে দেখান ফারহা। ইতিমধ্যেই ফারহা খানের এই স্পেশাল ফুড ভ্লগ নেটিজেনদের মনে ধরেছে।









