
দু হাজার কুড়ি সালে বাংলার লোকশিল্পী রতন কাহারের বড়লোকের বেটি লো গানটির রিমেক করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বাদশা। এবার ফের শিল্পীর গান নিয়ে উঠল আপত্তি।
অভিযোগ, সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত টাটিরি গানের দৃশ্যায়ণে মহিলাদের আপত্তিকরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আপত্তি উঠেছে গানের কথা নিয়েও।যার জেরে বাদশাকে তলব করেছে হরিয়ানা মহিলা কমিশন। ব়্যাপারের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে অভিযোগও।গানের কথা থেকে দৃশ্যায়ন, একাধিকবার নিজের সৃষ্টির কারণে সমালোচনায় জড়িয়েছেন ব়্যাপার বাদশা।পয়লা মার্চ টাটিরি গানটি নিজের সোশাল মিডিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে রিলিজ করেন বাদশা। যদিও প্রথমটায় এই হরিয়ানভি গান শুনে ফ্যান ফলোয়াররা উল্লাস প্রকাশ করেছিলেন, তবে দিন দুয়েক কাটতে না কাটতেই নিন্দার ঝড় নেটভুবনে। গানের কথা ও দৃশ্যে মহিলাদের ভোগ্যপণ্য হিসেবে তুলে ধরার অভিযোগ তুলে রে-রে করে উঠেছে শ্রোতামহল।ওই মিউজিক ভিডিওর গোড়াতেই দেখা গিয়েছে,কাঁধের ব্যাগ নামিয়ে স্কুলছাত্রীরা নাচতে শুরু করেছে। তার সঙ্গে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি এবং নেপথ্যে গানের চটুল কথা।আর এহেন যৌন ইঙ্গিতমূলক গানে আপত্তি তুলে হরিয়ানা মহিলা কমিশন বাদশার বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে।গায়কের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে লিখিত অভিযোগ।এ প্রসঙ্গে হরিয়ানা মহিলা কমিশনের সভাপতি রেনু ভাটিয়ার মন্তব্য,এই ধরণের গান জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তবে টাটিরি গানটির জন্য বাদশার দুর্ভোগ অবশ্য এখানেই থামেনি।খবর, হরিয়ানার পঞ্চকুলার সেক্টর ২০’র সাইবার ক্রাইম শাখায় বাদশার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন অভয় চৌধুরী নামে জনৈক ব্যক্তি।
তাঁর দাবি, এই গানটিতে মহিলাদের অশ্লীল এবং অসম্মানজনকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। স্কুলের পোশাকে পড়ুয়াদের এমন নাচ, অঙ্গভঙ্গি দেখলে বর্তমান প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা যাবে। আর সেই প্রেক্ষিতেই ব়্যাপার বাদশার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে হরিয়ানায়। চলতি বিতর্কের আবহে ইউটিউব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে টাটিরি গানটি।









