
বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরেই গোপন গুমখানা আয়নাঘর থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের দুই বিশেষ বন্দি আবদুল্লাহিল আমান আজ়মি এবং মীর আহমেদ বিন কাসেমকে। আজ়মি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রাক্তন ব্রিগেডিয়ার।
তাঁর বাবা প্রয়াত গোলাম আজ়ম ছিলেন জামাতে ইসলামির আমির বা প্রধান। আর, মীর আহমেদ বিন কাসেম হলেন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামাত নেতা মীর কাসেম আলির কনিষ্ঠ পুত্র।পেশায় ব্যারিস্টার। আট বছর আগে দু’জনকেই বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের আইনশৃঙলা রক্ষা বাহিনী। তার পর থেকে তাঁদের খোঁজ মেলেনি। আয়নাঘর থেকে তাঁদের মুক্তির পরে বাংলাদেশের সেনাকর্তাদের একাংশ এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের একাংশ দাবি করেছেন, গোপন গুমখানা আয়নাঘর-এর বাকি বন্দিদেরও মুক্ত করা হোক।জানা গেছে,আয়নাঘর’ থেকে মুক্তি পেয়েছেন ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের ,ইউপিডিএফ-র নেতা মাইকেল চাকমা। ইউপিডিএফ সূত্রে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় গুমের শিকার ইউপিডিএফের সংগঠক মাইকেল চাকমা দীর্ঘ পাঁচ বছর তিন মাস পর বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন।এর আগে মাইকেল চাকমা নিখোঁজ হন ২০১৯ সালের ৯ এপ্রিল। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম-সহ বাংলাদেশের সব জনগণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য এবং গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের জন্য রাজনৈতিক ভাবে সক্রিয় ছিলেন।এখন বলা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনকালে ২০০৯ সাল থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানে মোট ৬০৫ জনকে গোপনে বন্দি করে রাখা হয়েছিল।তথ্য বলছে, ওই বন্দিদের মধ্যে ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে এত দিন ১৫১ জন বন্দি ছিলেন বলে খবর।ওই গুমখানা’র দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর গোয়েন্দা শাখা ডিরেক্টর জেনারেল অফ ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স,ডিজিএফআই।









