
মার্কিন প্রশাসন কর্তৃক ইরানি তেলের ট্যাংকার জব্দ করার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় জলদস্যুতা ও সন্ত্রাসবাদ হিসেবে অভিহিত করে এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান। রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি নিরাপত্তা পরিষদের কাছে লেখা এক চিঠিতে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের এই বেআইনি পদক্ষেপ মোকাবিলায় ইরানের যেকোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।
সম্প্রতি ,এমটি ম্যাজেস্টিক এবং এমটি টিফানি নামে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে ৩৮ লাখ ব্যারেল তেল মার্কিন বাহিনী জোরপূর্বক জব্দ করার পর এই কূটনৈতিক উত্তেজনা শুরু হয়। ইরানি রাষ্ট্রদূত তার চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, মার্কিন অ্যাটর্নির সাম্প্রতিক প্রকাশ্য বিবৃতি থেকেই স্পষ্ট যে, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে মাঝসমুদ্রে গায়ের জোরে জাহাজগুলো আটক করা হয়েছে।
একে রাষ্ট্রসংঘ সনদের সরাসরি লঙ্ঘন এবং আগ্রাসনের শামিল হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি। ইরাভানি সতর্ক করে বলেছেন, বৈধ বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর এ ধরনের হামলা সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতিকে আরও উসকে দিচ্ছে। ইরান এই ঘটনাকে আমেরিকার আইনহীনতার নেশা হিসেবে আখ্যা দিয়ে এর দায়ভার সম্পূর্ণভাবে ওয়াশিংটনের ওপর চাপিয়েছে।









