
ভাঙড়ে কবর থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠালো পুলিশ। মাধ্যমিকের প্রথম দুটো বিষয়ের পরীক্ষা পারভীনার পাশে বসেই দিয়েছিল, কিন্তু তারপর থেকে আর পরীক্ষা দিতে না যাওয়ায় সন্দেহ হয় বান্ধবীর।
এরপর বাড়িতে খোঁজখবর নিতে গিয়ে জানতে পারে আত্মহত্যা করেছে পারভীনা। ভ্যালেন্টাইন ডে-তেই নাকি আত্মঘাতী হয়েছে পারভীনা। এমনকি পরিবার কাউকে কিছু না জানিয়ে তাঁকে কবরও দিয়ে দিয়েছে। স্কুলে ফিরেই বিষয়টি শিক্ষকদের কাছে জানাতেই থানার খবর দেন তাঁরা। ময়নাতদন্ত ছাড়া কিভাবে কিশোরীর দেহ কবর দেওয়া হল। এব্যাপারে বারুইপুর ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিয়েছেন কবর থেকে। দেহ তুলে ময়নাতদন্ত করতে। সেইমত বৃহস্পতিবার ভাঙড় ডিভিশনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক প্রশাসনের আধিকারিকের উপস্থিতিতে উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ ৬ দিন পর কবর থেকে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। ভাঙড়ের চণ্ডীহাট গ্রামের বাসিন্দা হান্নান হাজরার মেয়ে পারভীনার এবছর কারবালা হাইস্কুলে মাধ্যমিকের সিট পড়েছিল। বাংলা এবং ইংরেজি পরীক্ষাও দিয়েছিল পারভীনা।
কিন্তু তারপর থেকেই অনুপস্থিত ছিল। এব্যাপারে পারভীনার বাবা দাবি করেছেন বাড়িতেই ওড়না জড়িয়ে আত্মহত্যা করে মেয়ে। দেহ ময়নাতদন্ত হলে কাঁটছাড়া হবে তাই কাউকে কিছু না জানিয়ে কবর দিয়ে দেওয়া হয়।









