
বাবা-মা-বোন-ঠাকুমাকে খুনের ঘটনায় বাড়ির ছোট ছেলেকে ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছে মালদা জেলা আদালত। প্রায় ৪ বছর আগে ২০২১-এ মালদার কালিয়াচকে পরিবারের ৪ জনকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ছোট ছেলে মহম্মদ আসিফকে।
অভিযোগ ওঠে জমি-গাড়ি বিক্রি করে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল আসিফ। ওই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পানীয়ের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বাবা, মা, বোন এবং ঠাকুমাকে খুন করেন আসিফ। এরপর দেহগুলো পুঁতে দিয়েছিল আসিফ। দাদ্য মহম্মদ আবিফকেও খুনের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তিনি কোনওরকমে পালিয়ে বাঁচেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২১-র জুন মাসে মাটি খুঁড়ে ৪ জনের পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়। ৪ বছর ধরে চলা মামলায় ৫০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। এরপরেই শুক্রবার আসিফকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। এরপর শনিবার মহম্মদ আসিফকে ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিকে ট্যাংরায় দুই স্ত্রী এবং মেয়েকে খুনের ঘটনায় এবার বড় ছেলে প্রসূন দে-কে গ্রেফতার করেছে পলিশ। শনিবার এনআরএস হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতেই প্রণয় দে-কে গ্রেফতার করে শিয়ালদহ আদালতে তোলা হয়। এরপর বিচারপতি ৩০ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
ফেব্রুয়ারি মাসে ট্যাংরার দে পরিবারের দুই স্ত্রীকে হাতের শিরা, গলা কেটে এবং কিশোরী মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুনের পর নাবালক ছেলেকে নিয়ে গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ব্যবসায়ী দুই ভাই প্রণয় ও প্রসূন দে। এই ঘটনায়। আগেই ছোট ছেলে প্রসূন দে কে গ্রেফতার করে পুলিশ। দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রণয় দে। এবার তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।









