
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের পরের দিনই মণিপুরে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে এবং চূড়াচাঁদপুর থানায় হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছেন অনেকে। জানা গিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের সদস্যদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে স্থানীয় লোকজন।
জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফর উপলক্ষে লাগানো ব্যানার ও কাটআউট ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগে চূড়াচাঁদপুর জেলায় দুই যুবককে আটক করা হয়েছিল। রবিবার স্থানীয় জনতা থানার সামনে জড়ো হয়ে এবং সেই দু’জনের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। শীঘ্রই, ভিড় নিযন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে এবং হিংসার রূপ ধারণ করে।। গত ২০২৩ সালের ৩ মে থেকে জাতিগত হিংসার সাক্ষী মণিপুর। মাঝে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত ছিল। তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি অবস্থা। এখনও পর্যন্ত কয়েক হাজার জনকে নিজেদের বাড়ি ছাড়তে হয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। অনেকেই সরকারি ক্যাম্পে আছেন। চূড়াচাঁদপুর, মোরে, কাকচিং এবং কাংপোকপি জেলা থেকে অধিকাংশ মানুষকে সরানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ইম্ফল উপত্যকায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হল মেইতেই জনজাতি। তবে তারা সম্প্রতি দাবি তুলেছিল যে তাদের তফসিলি উপজাতির তকমা দিতে হবে। তাদের এই দাবির বিরোধ জানিয়েছিল স্থানীয় কুকি-জো আদিবাসীরা। এদিকে হাই মণিপুর হাই কোর্টে এই নিয়ে মামলা হয়েছিল।
সেই মামলায় হাই কোর্ট নির্দেশ দেয়, মেইতেইদের নাম তফশিলি উপজাতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখুক রাজ্য। এই নির্দেশিকার পরই জো-কুকি সম্প্রদায়ের মানুষরা প্রতিবাদে নামেন।






