
সন্দেশখালির ঘটনার জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। এমনই দাবি তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
সন্দেশখালি নিয়ে ৩২ মিনিট ৪২ সেকেন্ডের একটি স্টিং ভিডিওকে ঘিরে শনিবার থেকে তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
এই আবহে সন্দেশখালি নিয়ে আরও একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও ওই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি এস নিউজ ।সন্দেশখালির ঘটনায় নিয়ে বিজেপির চক্রান্তের বিষয় তুলে ধরতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার দলের রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর নির্বাচন সদনে যান।তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে একটি ডেপুটেশন জমা দিয়েছেন তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে।এরপরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাগরিকা ঘোষ বলেছেন, বিজেপি সন্দেশখালি নিয়ে যে ষড়যন্ত্র করেছে সেই নিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনে একটি চিঠি জমা দিয়েছেন।তাঁরা চিঠিতে জানিয়েছেন যে কীভাবে বিজেপি সন্দেশখালির মহিলাদের টাকা দিয়ে ভুয়ো মামলা তৈরি করেছে। সেখানে কোনও ধর্ষণের ঘটনা হয়নি। মহিলাদের ওপর অত্যাচার হয়নি। এলাকার মহিলারা এখন প্রতিবাদে সরব হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছে, এই ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে গ্রেফতার করা হোক। সেই সঙ্গে বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল, শান্তি দলুইকেও গ্রেফতার করা হোক।সেই সঙ্গে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে একের পর এক বক্তব্য পেশের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও জানিয়েছেন সাগরিকা ঘোষ।









