
ওবিসি বিজ্ঞপ্তিতে স্থগিতাদেশের পরেও কিভাবে চালু রয়েছে কলেজে ভর্তির পোর্টাল। প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
মুখ্যসচিব ও উচ্চশিক্ষা দফতরকে যুক্ত করা হয়েছে এই মামলায়। কলকাতা হাইকোর্টের তরফে ইতিমধ্যেই ১৪০ সম্প্রদায়কে নিয়ে যে তালিকা তৈরি করেছিল রাজ্য তাতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালতের তরফে খুব স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছিল ২০১০-র আগে পর্যন্ত যে ৬৬টি সম্প্রদায়, যারা ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন তাঁদেরকে নিয়েই সমস্ত ধরণের নিয়োগ প্রক্রিয়া বা সমস্ত ধরণের ভর্তির প্রক্রিয়া করতে হবে। এদিকে পুরসভার সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। ৬৬টি সম্প্রদায়কে নিয়ে নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ৭ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় অনুমতি দেবে, তারপর বাকি নিয়ম মেনে চলবে নিয়োগ। ৭৮টি শূন্যপদে হবে নিয়োগ।
ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ না মানা নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করছে পুরসভা, মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশন এমনই মন্তব্য করেছে আদালত। শুনানিতে ভার্চুয়াল হাজিরা দিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভার কমিশনার, মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান।






