
মঙ্গলবার সকালে সনাতনপন্থীরা চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রাম আদালতে জমায়েত হতে শুরু করেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল আদালতে প্রবেশ করে ব্রহ্মচারীর মুক্তি দাবি করা। কিন্তু পুলিশ যখন তাকে প্রিজন ভ্যান থেকে নামাতে চেষ্টা করছিল, তখনই ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি, যার ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।
বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। আন্দোলনের সময় আইনজীবীদের একাংশ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানানোর পাশাপাশি পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এর ফলস্বরূপ, সনাতনপন্থীরা লালদিঘীতে অবস্থান নেন এবং গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন, যা পুরো শহরের যান চলাচল ব্যাহত করে দেয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
এই অস্থিরতা মোকাবেলায় সরকার ঢাকা ও চট্টগ্রামে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করেছে যাতে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা যায়। তবে এই পদক্ষেপ কি যথেষ্ট হবে? জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং তারা নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য সোচ্চার হচ্ছে—এটি প্রতিদিনই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে সরকারের কাছে জনগণের দাবি মেনে নেওয়ার চাপ বাড়ছে。









