
ইরান-সহ মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিয়ে ভারত সরকারের অবস্থান ঘিরে কংগ্রেসের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, দলের শীর্ষ নেত্রী সনিয়া গান্ধী এবং লোকসভার দলনেতা রাহুল গান্ধী ও সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢ়রার ভিন্ন সুরে কথা বলছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের একাংশ।
তাঁদের অন্যতম মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর তথা কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য কমলনাথ, ত্রিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী তারুর, ওয়ার্কিং কমিটির অপর দুই নেতা আনন্দ শর্মা এবং মনীশ তিওয়ারি। কংগ্রেস সভাপতি খাড়্গে, সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধীরা যখন সংসদের ভিতরে ও বাইরে আরব দুনিয়ায় চলতি সংকট নিয়ে নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিদেশ নীতির তীব্র সমালোচনার পাশাপাশি জ্বালানি সংকট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন তখন প্রথম সারির ৪-৫ জন নেতার কথায় ভিন্ন সুর ধরা পড়ছে। তাঁরা সরাসরি নরেন্দ্র মোদী সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন।
কংগ্রেসের অন্দরে আবার জল্পনা শুরু হয়েছে তাহলে কি ২০২২-২৩ সালের মতো হাত-শিবিরে আবার বিক্ষুব্ধ নেতাদের জি-২৩ ধরনের জোট দানা বাঁধছে? সেবার জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী গুলাম নবী আজাদকে সামনে রেখে কংগ্রেসের ২৩ জন প্রথম সারির নেতা রাহুল ও সনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে জোট বেঁধেছিলেন। তখনও এই নেতাদের মধ্যে কেউ কেউ নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন। সেবার বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য ছিল দলীয় সভাপতি পদে নির্বাচন। গুলাম নবী আজাদকে সভাপতি করার প্রস্তাব দিয়ে দর কষাকষি করেও সনিয়া গান্ধীকে বিপাকে ফেলতে না পেরে লড়াই থামিয়ে দেন ওই নেতারা। নিজের সম্মান বাঁচাতে কংগ্রেস ছাড়েন প্রবীণ নেতা গুলাম নবী।









