
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন বা আইএসএসে কয়েক মাস ধরে আটকে আছেন বোয়িং নভোচারীরা। আট দিনের অভিযান শেষে ফেরত আসার কথা থাকলেও এরইমধ্যে মহাকাশে সাত মাস পার করলেন তারা।
মহাকাশে আটকে থাকা দুই মার্কিন নভোচারী বলেছেন, তাদের জন্য পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে,তাদের লন্ড্রি সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে না এবং এখনও তারা অসহায় বোধ করছেন না।উল্লেখ্য,গত বছরের জুন মাসে বোয়িংয়ের স্টারলাইনার মহাকাশযানে করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছিলেন প্রবীণ নভোচারী বুচ উইলমোর ও সুনিতা উইলিয়ামস। সেখানে কেবল তাদের আট দিন থাকার কথা ছিল।ওই সময় স্টারলাইনারের প্রপালশন সিস্টেমে সমস্যার কারণে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তাদের ফেরার পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। এখন মার্চের শেষের দিকে তাদের ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারণ করেছে নাসা।নাসার কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় উইলিয়ামস বলেছেন, অপ্রত্যাশিতভাবে এতো দীর্ঘ সময় মহাকাশে থাকার পরেও তাদের মনোবল এতটুকুও কমেনি।পর্যাপ্ত খাদ্য থাকার বিষয়ে আশ্বস্ত করার সময় উইলমোর হেসে বলেছেন,তাঁরা ভালো খাবার পেয়েছেন।আর মহাকাশে জামাকাপড় ঢিলেঢালাভাবে পরাই আরামের। আর জায়গাটা তো পৃথিবীর মতো নয় যে, এখানে জামা ঘেমে খারাপ হয়ে যাবে। তাই মহাকাশে এক জামা কয়েক সপ্তাহ ধরে পরতে পারেন। জামা মোটেও খারাপ হবে না।অন্যদিকে,আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশ্যে নাসা’র পরবর্তী চারজন ক্রু নিয়ে অভিযান চালু হওয়ার কথা ছিল ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে। আর এই ক্রু বহনকারী ক্যাপসুলটিতে করে বুচ উইলমোর ও সুনিতা উইলিয়ামসকে দেশে ফিরিয়ে আনার কথাও ছিল।একই মিশনে নাসা’র নভোচারী নিক হেগ ও রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমস-এর মহাকাশচারী আলেকজান্ডার গর্বুনভকেও সাধারণ ক্রু রোটেশনের অংশ হিসাবে ফিরিয়ে আনার কথা ছিল।
কিন্তু ইলন মাস্কের কোম্পানি স্পেসএক্স এই মিশনের জন্য একেবারে নতুন ড্রাগন ক্যাপসুল তৈরি করতে দেরি করেছে।এখন ২০২৫ সালের মার্চের শেষের দিকে এই ফ্লাইট প্রস্তুতির জন্য নির্ধারণ করেছে স্পেসএক্স।









