গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

30 C
Kolkata
30 C
Kolkata
More
    Home Technology চুমুর ইতিহাস কোটি বছর পুরানো

    চুমুর ইতিহাস কোটি বছর পুরানো

    0
    55
    ছবি সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    চুমুর ইতিহাস মানুষের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি প্রাচীন বলে উঠে এসেছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির নতুন এক গবেষণায়।

    গবেষণার অনুসারে, প্রায় দু’ কোটি ১০ লাখ বছর আগে মানুষ ও এপ বা বানরের সাধারণ পূর্বপুরুষদের মধ্যে বিবর্তিত হয়েছে চুমু।এমনকি মানুষের বিলুপ্ত আত্মীয় নিয়ান্ডারথালদের মধ্যেও চুমুর প্রচলন ছিল।গবেষণাটি প্রকাশ পেয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ইভোলিউশন অ্যান্ড হিউম্যান বিহেইভিয়ার-এ। গবেষণায় প্রথমবারের মতো ধারণা মিলেছে, চুমুর ইতিহাস খুবই পুরানো এবং চুমু কেবল সামাজিক অভ্যাস নয়, বরং প্রাকৃতিকভাবে বিবর্তনের মাধ্যমে উদ্ভূত এক আচরণ।অনেক প্রজাতির মধ্যে চুমু দেখা গেলেও বিষয়টি অদ্ভুত এক জৈবিক ধাঁধা। কারণ চুমুর মাধ্যমে রোগ ছড়াতে পারে এবং সরাসরি বেঁচে থাকতে বা সন্তানধারণে কোনো সুবিধা দেয় না। ফলে স্বাভাবিকভাবে বিবেচনা করলে চুমু দরকারি আচরণ নয় বলে দাবি করা হয়েছে। আসলে চুমু সরাসরি বেঁচে থাকার বা প্রজননের সুবিধা না দিলেও অনেক সমাজে এটি আবেগ, ভালোবাসা ও সামাজিক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর আগে পর্যন্ত গবেষকরা সত্যিই গুরুত্বসহকারে বিশ্লেষণ করেননি চুমু কীভাবে ও কখন শুরু হয়।প্রাইমেট বা প্রধান বানরের মধ্যে চুমুর বিবর্তনীয় ইতিহাস গবেষণা করতে নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করেছে অক্সফোর্ডের গবেষণা দলটি।তাদের গবেষণার ফলাফলে উঠে এসেছে, চুমু কোনো আধুনিক আবিষ্কার নয়,বরং এটি প্রাচীন এক আচরণ, যা মানুষ ছাড়াও এপদের মধ্যে দেখা গিয়েছে।গবেষকরা বলছেন,এ আচরণ প্রায় সাড়ে দু’ কোটি ১৫ লাখ থেকে এক কোটি ৬৯ লাখ বছর আগে উদ্ভূত এবং তখন থেকেই প্রাইমেটদের বিভিন্ন প্রজন্মের মধ্যে চলে এসেছে। আজও শিম্পাঞ্জি, বোনোবো ও ওরাংওটাংদের মধ্যে চুমুর দেখা মেলে। বলা হচ্ছে চুমু হবে কোমল, আক্রমণাত্মক নয় এমন মুখ-মুখে স্পর্শ, যেখানে কোনো খাবার বিনিময় হয় না,এভাবেই চুমুকে সংজ্ঞায়িত করেছে গবেষণা দলটি।গবেষণায় চুমুর গোড়া তুলে ধরার পাশাপাশি বর্তমানে মানুষের মধ্যে বিষয়টি সর্বত্র নেই বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

    কেবল ৪৬ শতাংশ নথিভুক্ত সংস্কৃতিতে বা সমাজে দেখা মিলেছে চুমুর এবং প্রত্যেক সমাজে এর আলাদা আলাদা মানে। চুমু কতটা বংশগত জীববিজ্ঞানের অংশ ও কতটা সংস্কৃতিগত উদ্ভাবন, তা নিয়েও গবেষণায় প্রশ্ন উঠেছে।