
বিবেচনাধীন ১১ প্রার্থীর জন্য তথ্য স্পষ্ট করতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিয়েছে তৃণমূল। রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা দলের নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ইমেল করেছেন।
৩ পাতার ওই চিঠিতে ১১টি কেন্দ্রে কোথায় কাকে প্রার্থী করা হয়েছে, তাঁদের এপিক নম্বর সহ পৃথক একটি তালিকাও যুক্ত করা হয়েছে। সেই তালিকায় উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর, মালদহের মোথাবাড়ি, মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ, লালগোলা, নওদা, কলকাতার শ্যামপুকুর, হুগলির চণ্ডীতলা, উত্তরপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা, বীরভূমের হাসন-র প্রার্থীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এরমধ্যে শ্যামপুকুরের তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজাও রয়েছেন। এদিকে এশিয়ান গেমসের সোনাজয়ী স্বপ্না বর্মণ ভোটে লড়তে পারবেন কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তার প্রতিবন্ধকতার কারণ তাঁর চাকরি। উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে কর্মরত তৃণমূলের প্রার্থী স্বপ্না। ভোটে প্রার্থী হওয়ায় ১৬ মার্চ পদত্যাগপত্র জমা দিলেও রেল তা গ্রহণ করেনি। সরকারি চাকরিরত অবস্থায় রাজনৈতিক দলের সদস্যপদ গ্রহণ এবং ভোটপ্রচারে অংশ নেওয়ায় উল্টে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
এরইমধ্যে দ্বিতীয় দফার সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশের আগে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল রাজা প্রশাসনের সঙ্গে জরুরি বৈঠক সেরেছেন। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিইও, মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজিপি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার।








