
চলতি বছরের শুরুতে দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পরই ক্ষমতার দাপট দেখাতে শুরু করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চেয়ারে বসেই যুগ ধরে চলে আসা রীতিনীতি তছনছ করতে শুরু করেছেন তিনি। বিশ্বজুড়ে লিপ্ত হয়েছেন বাণিজ্যযুদ্ধে।
মার্কিন মিত্রদের দূরে ঠেলে দিয়েছেন। আমেরিকার বিভিন্ন শহরে সেনা মোতায়েন করেছেন।সেই সরকারি দফতরগুলো করেছেন ওলট–পালট। আর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে একপ্রকার নাজেহাল করে ছেড়েছেন তিনি।কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সেই একচ্ছত্র ক্ষমতার কিছুটা হলেও ম্লান হয়েছে মাত্র দু’ দিনে। প্রথমে নিউইয়র্কের মেয়রসহ বিভিন্ন নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রতিপক্ষ ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতারা জয় পেয়েছেন। আর তারপরের দিন মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারকেরা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে, সংবিধান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যে জরুরি ক্ষমতা দিয়েছে, তা ব্যবহার করে তিনি বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু করতে পারেন কি না? উল্লেখ্য,ব্যাপক কূটকৌশল করেও নিউইয়র্কের মেয়র হওয়া থেকে জোহরান মামদানিকে ঠেকাতে পারেননি ট্রাম্প।ভার্জিনিয়া ও নিউ জার্সিতে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবিগালি স্প্যানবার্গার ও মিকি শেরিল। যদিও এই এলাকাগুলোয় ডেমোক্র্যাটদের প্রভাব বেশি, তারপরও তারা যে বড় জয় পেয়েছেন, তা হয়তো কল্পনাও করতে পারেননি রিপাবলিকানরা।যদিও আগে থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া শুরু করেছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বীরা।ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গাভিন নিউসম ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে বলেছিলেন, ভালুককে খোঁচা দিলে সে গর্জন করে রুখে দাঁড়াবেই।
ইলিনয়ের গভর্নর ও আরেক ডেমোক্র্যাট জে বি প্রিটজকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতির বিরোধিতা করেছেন। আদালতে ট্রাম্পের মুখোমুখি হচ্ছে তহবিল ছাঁটাইয়ের শিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও।









