
রাত পোহালেই প্রথম দফার নির্বাচন। ১৬ জেলায় ১৫২ বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন।
উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গে বিভিন্ন ডিসিআরসিতে চূড়ান্ত ব্যস্ততা। শিলিগুড়ি, কোচবিহার, দুর্গাপুর থেকে সিউড়ি ডিসিআরসিতে একই ছবি। ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড কালেকশন রিসিভিং সেন্টার বা ডিসিআরসি থেকে ইভিএম সহ বিভিন্ন ভোট সামগ্রী নিয়ে জেলায় জেলায় বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের দিকে পৌঁছতে শুরু করেছেন ভোটকর্মীরা। দায়িত্ব বুঝে নিয়ে ভোটকর্মীদের সঙ্গেই যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। প্রচন্ড গরমে কেউ কেউ অসুস্থ হয়েও পড়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে মেডিক্যাল চেকআপ করা হচ্ছে ভোটকর্মীদের। এদিকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কার্যত মুড়ে ফেলা হয়েছে বিভিন্ন প্রান্ত। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে থাকছে কমিশনের লক্ষণরেখা। সাদা রং দিয়ে বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে লক্ষ্মণরেখা টেনে দেবে নির্বাচন কমিশন। ভোটার ছাড়া ওই অংশে অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। ওই ১০০ মিটারের মধ্যে নিরাপত্তার দায়িত্ব শুধু বাহিনীর। পুলিশের ভূমিকা শুধুমাত্র ভোটারদের লাইন নিয়ন্ত্রণ করা। কমিশন সূত্রে খবর ভোটকেন্দ্র পিছু থাকবে হাফ সেকশন বাহিনী। বেশি বুথ হলে ২ সেকশন বাহিনী থাকবে। এক সেকশন মানে ৮ জন জওয়ান। প্রথম দফা নির্বাচনে প্রায় ২৫০০ কোম্পানি বাহিনী থাকছে।
এছাড় ১০ থেকে ১২ ভোটকেন্দ্র পিছু একটি কিউআরটি, থানা পিছু আরটি মোবাইল এবং এইচআরএফএস ভ্যান থাকবে। গলিতে গলিতে চলবে পেট্রোলিং।






