
একঘেয়ে লুক বদলাতে হেয়ার কালার বা রং করা এখন বেশ জনপ্রিয়। তবে এই রঙের আড়ালে থাকা রাসায়নিক চুলে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
অনেকেই অভিযোগ করেন, রং করার পর চুল ক্রমশ খড়খড়ে, রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে পড়ছে। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, রাসায়নিক রঙের কারণে চুলে ড্রাইনেস বা, শুষ্কতা আসা অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি বিষয়।অধিকাংশ হেয়ার ডাই-এ হাইড্রোজেন পারক্সাইড এবং অ্যামোনিয়া থাকে।এই রাসায়নিকগুলো চুলের ওপরের স্তর,কিউটিকেল আলগা করে দেয়। সুস্থ চুলের কিউটিকেল মসৃণ থাকে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখে। কিন্তু রং করার ফলে এই স্তরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে চুলের নিজস্ব ময়েশ্চারাইজার বেরিয়ে যায় এবং চুল ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।চিকিৎসকদের মতে, রঙের চেয়েও ব্লিচিং প্রক্রিয়াটি চুলের প্রাকৃতিক উপাদান নষ্ট করে দেয় বেশি। বলা হয় সাধারণ শ্যাম্পু চুলে রুক্ষতা বাড়ায়।তাই রং করা চুলের জন্য সর্বদা সালফেট-বিহীন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।ক্ষতিগ্রস্ত চুল মেরামতে সপ্তাহে অন্তত একদিন প্রোটিন সমৃদ্ধ হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।
এদিকে রং করার অন্তত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চুলে স্ট্রেটনার বা ড্রায়ার ব্যবহার করা একদমই উচিত নয়।রোদ ও দূষণ থেকে চুল বাঁচাতে নিয়মিত হেয়ার সিরাম বা লিভ-ইন কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। অন্যদিকে,যত দামী ব্র্যান্ডের রং-ই হোক না কেন, ঘন ঘন চুলে রাসায়নিক ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ। একবার রং করার পর চুলকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিন। খুব কম সময়ের ব্যবধানে বারবার রং করলে চুল পাকাপাকিভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।









