
বিশ্বসংগীতের কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ,মাইকেল শীঘ্রই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।তবে মুক্তির আগেই সিনেমাটি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা।
বিশেষ করে জ্যাকসনের জীবনের বিতর্কিত অধ্যায়গুলো এড়িয়ে যাওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন খোদ তার পরিবারের সদস্য ও সমালোচকরা।সিনেমাটি মূলত মাইকেল জ্যাকসনের শুরুর দিকের ক্যারিয়ারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।ইন্ডিয়ানার শৈশব থেকে শুরু করে লন্ডনের বিখ্যাত,ব্যাড ওয়ার্ল্ড ট্যুর-এর সাফল্য পর্যন্ত কাহিনী এখানে তুলে ধরা হয়েছে। বোহেমিয়ান র্যাপসোডি-র প্রযোজক গ্রাহাম কিং এটি নির্মাণ করেছেন। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন জ্যাকসনের নিজের ভাগ্নে জাফর জ্যাকসন। জাফরের এটিই প্রথম সিনেমা হলেও তার নাচের কোরিওগ্রাফিতে সহযোগিতা করেছেন মাইকেলের বাস্তব জীবনের কোরিওগ্রাফাররা।সিনেমাটি নিয়ে সবচেয়ে বড় সমালোচনা হলো, এর কাহিনী নিয়ে। অভিযোগ উঠেছে যে, জ্যাকসন পরিবারের সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকায় মাইকেলের জীবনের অন্ধকার দিকগুলো, বিশেষ করে শিশু যৌন নির্যাতনের অভিযোগগুলো এখানে কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।এমনকি মাইকেলের নিজের মেয়ে প্যারিস জ্যাকসন এই চলচ্চিত্রের কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, এই সিনেমাটি কেবল বাবার ফ্যান ফলোয়ারদের একটি নির্দিষ্ট অংশকে খুশি করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এখানে অনেক ভুল তথ্য ও মিথ্যা রয়েছে।সিনেমাটি নির্মাণের পথে বেশ কিছু আইনি বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।বিশেষ করে জ্যাকসনের বিরুদ্ধে অভিযোগকারীদের নাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কড়া আইনি বিধি নিষেধ থাকায় সিনেমার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পুনরায় চিত্রায়ন করতে হয়েছে। এ কারণেই ২০২৫ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও সিনেমাটি পিছিয়ে ২০২৬-এ নিয়ে আসা হয়েছে।
জানা গেছে,নির্মাণে ২০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করা এই বায়োপিকটি বক্স অফিসে বড় ধামাকা দেবে বলে আশা করছে পরিবেশক সংস্থা লায়ন্সগেট। তাদের ধারণা, বিশ্বব্যাপী এটি অন্তত ৭০০ মিলিয়ন ডলার আয় করবে, যা মিউজিক্যাল বায়োপিকের ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড গড়তে পারে।









