
ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশঙ্কা প্রকাশের পরেই কলকাতা সহ জেলায় এখন তৃণমূল, বিজেপির নজরে স্ট্রংরুম। বৃহস্পতিবার রাতে ধর্নার পর শুক্রবার সকালেও নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে স্ট্রং রুম পরিদর্শনে গিয়েছিলেন শশী পাঁজা। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে গিয়েছিলেন কুনাল ঘোষ।
এসবের মধ্যে কলকাতা পুলিশের আওতাধীন সমস্ত স্ট্রংরুমের ২০০ মিটার ব্যাসার্ধ পর্যন্ত বিএনএস-র ১৬৩ ধারা জারি করেছেন পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ। লালবাজারের তরফে নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছে নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। স্ট্রংরুমের চারপাশে কোনওরকম অশান্তি, জমায়েত, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। এদিকে হেলিকপ্টারে করে জেলার স্ট্রংরু পরিদর্শনে বেরিয়েছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল। ইতিমধ্যেই ঝাড়গ্রামের স্ট্রংরুম পরিদর্শন করেছেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেছেন। এদিকে এগরা থানার আইসি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখায় পটাশপুরের তৃণমূল প্রার্থী পীযূষকান্তি পণ্ডা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান মহকুমাশাসক। তাঁর অভিযোগ পটাশপুরের বিজেপি প্রার্থী তপন মাইতিকে স্ট্রংরুমের ভিতরে নিয়ে গিয়েছেন আইসি। পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে এরপর আইসির সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূল প্রার্থী ও কর্মী সমর্থকরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়।






