
বিপুল সাফল্যের মুখ দেখেও বিতর্কে ধুরন্ধর দ্য রিভেঞ্জ, পঁচিশ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রথম পর্ব মুক্তির আলো দেখা মাত্রই প্রোপাগান্ডা’র তকমা জুটেছিল আদিত্য ধর পরিচালিত এই সিনেমা। সিক্যুয়েলের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
এবার তামিলনাড়ুতে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আইনি গেরোয় রণবীর সিং অভিনীত ব্লকবাস্টার সিনেমা।এদিকে ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আলো দেখেছে ,ধুরন্ধর দ্য রিভেঞ্জ। প্রথমভাগের মতোই সিক্যুয়েলও বক্স অফিসে বিজয়রথ ছুটিয়েছে। মাত্র পাঁচদিনে বিশ্বজুড়ে ৭০০ কোটির গণ্ডি পার করে সিনেবাজারে একচেটিয়া রাজত্ব করা দক্ষিণী সিনেইন্ডাস্ট্রিকে বলিউডের হয়ে যোগ্য জবাব ছুড়েছে। ধুরন্ধর ২-এর মারকাটারি ব্যবসায় যে বলিউড আবারও কলার তোলার সুযোগ পেয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু প্রোপাগান্ডা সিনেমার অভিযোগে এবার দক্ষিণী রাজ্যে আইনি জটিলতায় পড়তে হল রণবীর সিং অভিনীত সিনেমাকে। খবর, ধুরন্ধর দ্য রিভেঞ্জ-কে নিষিদ্ধ করার দাবিতে মাদ্রাজ হাই কোর্টে সম্প্রতি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেই ওই মামলা দায়ের করেছেন জনৈক আইনজীবী।বিচারপতি সুশ্রুত অরবিন্দ ধর্মাধিকারী এবং বিচারপতি জি অরুল মুরুগানের ডিভিশন বেঞ্চকে তিনি জানিয়েছেন, এই সিনেমায় একচেটিয়াভাবে একটি দলের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে। তাই ভোটের মুখে এহেন সিনেমার রমরমা আদর্শ আচরণবিধির নিয়মবিরুদ্ধ।আদালতের তরফে পালটা মামলাকারী আইনজীবীকে জানানো হয়, এহেন মৌখিক অভিযোগকে লিখিত আকারে গ্রহণ করা হল। কিন্তু ধুরন্ধর দ্য রিভেঞ্জ-এর প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হবে কিনা, সেটা লিখিত অভিযোগ দায়েরের পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি থলপতি বিজয়ের জননয়াগন সিনেমাটিকেও এই একই অভিযোগে আইনি জটের সম্মুখীন হতে হয়েছিল।
সেন্সর বোর্ডের তরফে ছাড়পত্র আটকে ছবিটিকে পর্যালোচনার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছিল। যদিও মুক্তির পর থেকে ধুরন্ধর ২ দক্ষিণী বলয়েও ব্যাপক ব্যবসা করছে, তবে এবার ভোটমুখী তামিলনাড়ুতে সেই সিনেমার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হবে কিনা,নজর থাকবে সেদিকে।









