
মালদহ মেডিক্যাল কলেজে ইন্টার্নদের দ্বন্দ্বের তদন্তে এবার জাতীয় মহিলা কমিশন। সোমবার সকালে মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার।
মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম মুখোপাধ্যায়, সহ-অধ্যক্ষ প্রসেনজিৎ বর, মেডিক্যালের ইন্টার্ন এবং চিকিৎসকদের একাংশকে নিয়ে বৈঠকও করেছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি কথা বলেছেন অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারিণীর বিরুদ্ধে। ২১ অগাস্ট মেডিক্যালের বহির্বিভাগের সার্জিক্যাল বিভাগে ডিউটি নিয়ে এক মহিলা ইন্টার্নের সঙ্গে পুরুষ সহকর্মীর বচসা হয়। অভিযোগ, মহিলা ইন্টার্নকে হেনস্থা করেন ওই পুরুষ ইন্টার্ন। পাল্টা ওই অভিযুক্তকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে মহিলা ইন্টার্নের এক বন্ধুর বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়। ঘেরাও কর্মসূচিতে তেতে ওঠে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ চত্বর। মহিলা ইন্টার্ন ও তাঁর বন্ধু টিএমসিপি-ঘনিষ্ঠ বলে তাঁদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিচ্ছেন না, এই অভিযোগে গত শুক্রবার রাতে মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবনে ঘণ্টাপাঁচেক ঘেরাও করা হয়েছিল অধ্যক্ষকে। অধ্যক্ষের দফতরে অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে ব্যঙ্গচিত্র আঁকা হয়। চিকিৎসক-পড়ুয়াদের একাংশ দাবি করেন, আর জি কর কাণ্ডের পরে এক বছর কাটলেও চিকিৎসক-পড়ুয়াদের একাংশের তৃণমূল-ঘনিষ্ঠতার সুবাদে হুমকি-প্রথা জিইয়ে রয়েছে মালদহ মেডিক্যালে। কমিটি গঠন করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ।
আসরে নামে বিজেপিও। এ বার তদন্ত শুরু করল জাতীয় মহিলা কমিশন।








